ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৭, জুন ২০১৯ ১১:৫৯:৫৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী আগামী ১ জুলাই চীন যাচ্ছেন ৫ বছরে দেড় কোটি লোকের কর্মসংস্থান করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তিন দশক পর সচল সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলা বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে ১৫% ভ্যাট আরোপ ২০ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে এইচএসসির ফল

অংক পরীক্ষা ‘কঠিন’ হওয়ায় ক্ষুব্ধ জার্মানির শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০৭ পিএম, ৮ মে ২০১৯ বুধবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

জার্মানির কয়েক হাজার শিক্ষার্থী স্কুল সমাপনীর অংক পরীক্ষা সহজ করার আহ্বান জানিয়ে একটি পিটিশনে স্বাক্ষর করেছেন৷ ইতোমধ্যে বাভারিয়াসহ জার্মানির নয়টি রাজ্যের ষাট হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পিটিশনটি স্বাক্ষর করেছেন৷ এতে ইতোমধ্যে যে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে, সেটির মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নীতিমালা শিথিল করার দাবিও করা হয়েছে৷ খবর ডয়চে ভেলের।

পিটিশনটির আয়োজকরা বলেছেন, ‘২০১৬ সালের পরীক্ষা চাহিদামতো ছিল, ২০১৭ সালে সেটা পাস করার মতো ছিল, ২০১৮ সালে মোটামুটি সহজ ছিল, কিন্তু ২০১৯ সালের পরীক্ষায় এমন সব প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে যা প্রায় কেউই অতীতে কখনো দেখেনি৷’

গত শুক্রবার হয়ে যাওয়া অংক পরীক্ষায় গাণিতিক পর্যালোচনা, জ্যামিতি এবং সম্ভাবনার মতো বিষয় ছিল বলে জার্মান বার্তাসংস্থা ডিপিএ একটি টেস্টের কপি যাচাই করে জানিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, জার্মানির ষোলটি রাজ্য নিজেদের মতো করে চূড়ান্ত স্কুল সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করে৷ এতে রাজ্যগুলোর শিক্ষা কর্মকর্তাদের দেয়া প্রশ্নের পাশাপাশি জাতীয় প্রশ্নভান্ডার থেকেও প্রশ্ন যোগ করা হয়৷

জার্মান স্কুল অ্যাসোসিয়েশন (ভিবিই)র প্রধান উডো ব্যাকমান শিক্ষার্থীদের সমালোচনা বিবেচনাযোগ্য হলে পরীক্ষকরা এ বছরের পরীক্ষার গ্রেডিং পদ্ধতি শিথিল করতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন৷

তবে, জার্মানির টিচার’স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট পেটার মাইডিংগার শিক্ষার্থীদের সমালোচনাকে ‘চটজলদি’ আখ্যা দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন৷ তিনি বলেছেন, ‘আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং কী ঘটে তা দেখতে হবে৷’

জার্মানিতে স্কুল সমাপনী পরীক্ষার সনদকে ‘আবিট্যুর’ বলা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চাইলে শিক্ষার্থীদের দরকার হয়৷ এর আগে ২০১৬ সালে জার্মানির লোয়ার সাক্সেনি রাজ্যে অংক পরীক্ষা কঠিন হয়েছে বলে দাবি ওঠার পর রাজ্যটির পরীক্ষকরা শিক্ষার্থীদের গ্রেড প্রদানের ক্ষেত্রে নীতিমালা শিথিল করেছিলেন৷

-জেডসি