ঢাকা, বুধবার ২৭, মার্চ ২০১৯ ৩:১১:৩০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত শিশুদের সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার: জরুরি বৈঠক ডেকেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ

আবাসিক এলাকায় উচ্চশব্দে গান : শাস্তি কী

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১২:০৮ এএম, ২০ আগস্ট ২০১৮ সোমবার

উচ্চ স্বরে গান বাজানোর ঘটনা রাজধানীসহ সারাদেশে এক অতিসাধারণ ব্যাপার। গায়ে হলুদ, বিয়ে কিংবা জন্মদিনের উৎসবে আমরা নিছক আনন্দ করার ছলে সারাদিন কিংবা রাতভর উচ্চশব্দে মাইকে গান বাজিয়ে থাকি।

 

বিরক্ত হলেও এ ব্যাপারে কেউ সাধারণত প্রতিবাদ করেন না। এ বিষয়ে জনমনে সচেতনতার অভাবেই শব্দ দূষণ হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা।

 

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর অধীনে ২০০৬ সালে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এই বিধিমালার ৯ ধারায় উচ্চস্বরে গান বাজানোসহ বিভিন্ন ধরনের শব্দ দূষণের বিষয়ে বলা আছে।

 

বিধিমালায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পেয়ে আবাসিক এলাকায় শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রম করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে আবাসিক এলাকায় দিনের বেলায় ৫৫ ডেসিবেল ও রাতের বেলায় ৪৫ ডেসিবেলের বেশি শব্দ অতিক্রম করতে পারবে না।

 

তবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে খোলা বা আংশিক খোলা জায়গায় বিয়ে বা অন্য কোনো কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে গান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কনসার্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ধরনের সভা, মেলা, যাত্রাগানের অনুষ্ঠান করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে অনুষ্ঠান আয়োজককারী ব্যক্তিকে পুলিশ কমিশনার বা সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হবে। সে আবেদন মঞ্জুর হলে দৈনিক ৫ ঘণ্টা শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী যন্ত্র বাজানো যাবে এবং রাত ১০টার পরে তা আর বাজানো যাবে না।

 

এ আইনের ১৮ ধারায় বলা আছে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবাসিক এলাকায় শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী যন্ত্র বাজালে বা আইন অমান্য করলে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

 

এ ছাড়া পরে একই ধরনের অপরাধ করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।