ঢাকা, শুক্রবার ২৮, ফেব্রুয়ারি ২০২০ ৪:১৯:৩০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
এবার করোনায় আক্রান্ত ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবার পাকিস্তানে করোনাভাইরাসের হানা খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ মশা যেন ভোট খেয়ে না ফেলে, মেয়রদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী করোনা আতঙ্কে সৌদি ভ্রমণ ভিসা স্থগিত

কন্যাসন্তান হবার আশঙ্কায় স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা করলো স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:১৩ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২০ শুক্রবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

ঊর্মিলার গর্ভে যে সন্তান রয়েছে, সেটা নিশ্চয়ই কন্যাসন্তানের ভ্রূণ- এমনই ধারণা থেকে অন্তঃসত্ত্বা ২৭ বছরের স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মৃতদেহ ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করে আগুনে পুড়িয়ে দিলো স্বামী রবীন্দ্র কুমার।আর মাকে নৃশংসভাবে হত্যার দৃশ্য দেখে ফেলে খুনি বাবাকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিল বড় মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলিতে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত রবীন্দ্র কুমারের সঙ্গে ২০১১ সালে বিয়ে হয় ঊর্মিলা নামে ওই নারীর। দম্পতির ৭ ও ১১ বছরের দুটি কন্যাসন্তান আছে। সম্প্রতি আবারো অন্তঃসত্ত্বা হন ঊর্মিলা।

প্রথম থেকেই রবীন্দ্র সন্দেহ করতেন, তৃতীয় সন্তানও মেয়েই হবে। এই সন্দেহের বশেই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তিনি স্ত্রীকে হত্যা করেন।

ঊর্মিলার পরিবারের লোকজনদের যাতে সন্দেহ না হয়, তার জন্য নিজেই পুলিশকে ফোন করে জানায় স্ত্রী ঊর্মিলা নিখোঁজ হয়ে গেছে। কিন্তু, মাকে খুনের কথা এবং দেহাংশ পুড়িয়ে ফেলে তার ভস্ম বাবা যে বাড়ি থেকে চার কিলোমিটার দূরে ফেলে এসেছে, সে কথা মামারবাড়িতে পরিজনদের কাছে বলে দেয় রবীন্দ্রর বড় মেয়ে।

এরপরই ঊর্মিলার পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। পরে পুলিশ রবীন্দ্রকে জেরা করে ও ভস্মীভূত দেহাংশ উদ্ধার করে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য লখনউতে ডিএনএ টেস্টের জন্য পাঠায়। সব রিপোর্টেই প্রমাণ মেলে, ঊর্মিলাকে কতটা নৃশংসভাবে খুন করেছে রবীন্দ্র। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

-জেডসি