ঢাকা, শুক্রবার ২৭, নভেম্বর ২০২০ ২:৩৪:২৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
দেশে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৬ হাজার ছাড়াল করোনার ভ্যাকসিন আসার সাথে সাথেই বাংলাদেশ পাবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু প্রায় ১৪ লাখ ২০ হাজার প্রথমবার বিমান বাহিনীতে ৬৪ নারী সৈনিক ৭ কোটি করোনার ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ ম্যারাডোনা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে চিরস্মরণীয়: শেখ হাসিনা

করোনাকালে নারীর প্রতি সহিংসতারোধে কাজ করার আহবান

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৪৩ পিএম, ৩০ অক্টোবর ২০২০ শুক্রবার

করোনাকালে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করার আহবান

করোনাকালে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কাজ করার আহবান

করোনাকালে নারীর প্রতি সহিংসতা ও বিভিন্ন ধরনের সমস্যাগুলো সমাধানে নানামুখী কৌশল অবলম্বন করে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, এম পি।  

সম্প্রতি ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’ ও ‘নারী নিরাপত্তা জোট’ আয়োজিত “করোনা মহামারিকালে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ভিন্ন কৌশল” শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, যেকোন বিষয়ে ছোট ছোট উদ্যোগ মিলিত হলে একটা বিশাল শক্তি তৈরি হয়। সেই শক্তিটা আপনারা সঞ্চয় করেছেন, তৈরিও করেছেন, তার প্রমাণ এই আয়োজন ও কার্যক্রম। বাংলাদেশ অনেক দিক দিয়ে এগিয়ে গেছে, কার্যক্রমগুলো ডিজিটাল হয়েছে। হেল্প লাইন ১০৯ আছে, আইন আছে, পুলিশ, বিচারক, ওসিসি আধুনিক হয়েছে। 

তিনি বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকারে আমরা ভোকাল, সবাই কথা বলছি, চেষ্টা করছি কিন্তু ফাইনালি কোন কৌশলটা কাজ করলে এই সমস্যা থেকে উঠে আসতে পারবো সেটাতেই আমরা যেন বারবার থেমে যাচ্ছি। কারণ এখনো মামলা তদন্তে সমস্যা, বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা, পরিবারগুলোর আপোষের মানসিকতা ছাড়াও আমাদের সমাজ বাস্ববতার বহুমুখী জটিলতা রয়েই গেছে। 

এ সময় তিনি জানান, প্রশাসন, বিভিন্ন সংগঠন, জনপ্রতিনিধি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তাদের নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অপরাধীদের তালিকা করা, এ সম্পর্কিত আইনগুলো জনগণকে জানাতে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সরকার জনগণের পাশে সবসময় আছে ও থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

সংলাপে বক্তারা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্ব অতিক্রম করছে এক অদ্ভুত সময়। কঠিন বাস্ববতায় ওলট-পালট হয়ে গেছে মানুষের যাপিত জীবন। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে একদিকে লকডাউন, অপরদিকে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, কর্মহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাহাকার, সেইসঙ্গে নানামুখী মানসিক সমস্যা। এসব দৃশ্যমান সমস্যার আড়ালে থেমে নেই পারিবারিক সহিংসতা। পরিবারে ও সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতাসহ বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন যেন বেড়েই চলেছে। 

নারীর প্রতি এইসব সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে মানবাধিকার, নারী অধিকার, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, উন্নয়ন সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের উদ্যোগী হয়ে যে কোন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পন্থায়, নানামুখী কৌশলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত নারীর প্রতি সহিংসতার নতুন ক্ষেত্র, কারণ, প্রতিরোধ, প্রতিকারের নতুন নতুন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয় সংলাপে।

‘আমরাই পারি’ জোটের সমন্বয়কারী জিনাত আরা হকের সঞ্চলনায় সংলাপে বক্তারা করোনাকালীন লকডাউনে নারীর প্রতি সহিংসতার কারণ তুলে ধরেন এবং প্রতিকারের কৌশল বর্ণনা করেন। 

বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক এর যুগ্ম সম্পাদক শেহেলা পারভীন (এআইজি) বলেন, করোনাকালে পুলিশ একদিকে করোনা প্রতিরোধ, অন্যদিকে ক্রাইম প্রিভেনশনে আরও সতর্ক ও সচেতনত হয়ে কাজ করছে। 

সাম্প্রতিক সময়ে কাজের অভিজ্ঞতায় তিনি জানান, এ বছরে (২০২০) এপ্রিল থেকে জুলাই সারাদেশে নারীর প্রতি সহিংসতার কেস হয়েছে পাঁচ হাজার ৭২টি, যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ২৯ শতাংশ কম। তবে এই সময়ে শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, গর্ভধারণ অনেক বেড়ে  গেছে। ধর্ষণ হলে দেরি না করে অবশ্যই পুলিশের কাছে যাওয়া এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার যেকোনো অভিযোগ ‘৯৯৯ ’ নম্বরে জানাতে পরামর্শ দেন তিনি। 

এছাড়াও পুলিশ হেল্পলাইন অ্যাপ, হ্যালো সিটি অ্যাপ এ মেসেজ, অডিও- ভিডিও এর মাধ্যমে, এমনকি দেশের বাইরে থেকেও অভিযোগ করা যায় এবং প্রতিটি অভিযোগ পাঁচটি ধাপে সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকেও পর্যাপ্ত সেবা দিতে পুলিশ নিরন্তর কাজ করছে বলে জানান শাহেলা পারভীন।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শওকত হোসেন বলেন,  আইন থাকলেও তা অনেক সময়ই কার্যকর হয় না। প্রায় ৯৭ শতাংশ নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আসামি খালাস পেয়ে যায়। পুরো বিচার ব্যবস্থার বাজেটও অপ্রতুল। বিচারকের সংখ্যাও অনেক কম। এসব মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের জন্য সারাদেশেই বিচার বিভাগের লজিস্টিক, বাজেট, বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন। ধর্ষণকারী ও শিশু নির্যাতনকারীদের তালিকা প্রণয়নে পুলিশের প্রতি আন্তরিক হওয়ার আহবান জানান তিনি।

প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার আফরোজ মহল বলেন, করোনাকালে লকডাউনে বাল্যবিবাহের হার অনেক বেড়েছে। অনেকের কাজ নেই, অনেকের ঘরে অভাব, স্কুলও বন্ধ। আর্থিক অবস্থাটাই এখানে বড় কারণ। এর ফলে ধর্ষণের হার এবং গর্ভধারণের হার বড়েছে।

তিনি জানান, প্লান ইন্টারন্যাশনাল করোনাকালে নারী, শিশু, যুবক-যুবতী মিলে প্রায় আট থেকে দশ হাজার মানুষকে সহায়তা করেছে। তাদের নানা তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছে। এতে দেখা গেছে, লকডাউন পরবর্তীতে স্কুল খুললে অনেক মেয়ে শিশু বাল্যবিবাহের কারণে আর স্কুলে ফিরতে পারবে না। যা নারী ও শিশুর জীবনে সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।  

আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটকো-চেয়ারপারসন এম বি আখতার আলোচ্য বিষয়ের ব্যাখ্যা করে বলেন, নারীর অগ্রযাত্রায় নতুন করে বাধা হলো করোনা প্যানডেমিক। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন সংগঠন, সামাজিক, পারিবারিক, ব্যক্তিগত, রাষ্ট্রীয়ভাবে যে কাজগুলো চলছিল, তাতে যে অর্থ সঞ্চয় হয়েছিল সেটাও এই সময়টাতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঢাল হতে পারেনি। করোনাকালে অনেক নারীর জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ স্বামীর বাড়িতে বাস করা, চাকরি চলে যাওয়া, আর্থিক সংকট, জমানো অর্থ শেষ হওয়া, সন্তানদের স্কুল বন্ধ, অসুস্থতা, মানসিক ট্রমা ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, নারীর সঞ্চিত অর্থ শেষ হওয়া এবং চাকরি না থাকায় তার মূল্যও অনেকাংশে কমে গেছে। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয় হতে হচ্ছে তাকে। অন্যদিকে করোনা প্যানডেমিকের সাথে যুক্ত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা; যা নারীর আয়ের পথ সংকুচিত করেছে। আয় কমে গেছে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ। এমন পরিস্থিতিতে করোনাকালীন জরুরি সেবা ও নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, নারীর প্রতি সহিংসতা, নারীর অধিকার সেকেন্ডারি বিষয় হিসেবে বিবেচ্য হচ্ছে যা খূবই উদ্বেগজনক। বিষয়টি রাষ্ট্রীয়ভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। 

তিনি বলেন, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে, বার্তা পৌঁছাতে হবে, প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে, মিডিয়াকে কাজে লাগাতে হবে। স্থানীয়, পারিবারিক, সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা না করে নারী নির্যাতনের সব ঘটনা আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে জানাতে হবে। বিষয়গুলো ইমার্জেন্সি বার্তায় যুক্ত করা, কেসের খোঁজ-খবর নেয়া, মোবাইল ফোনে সচেতন করা, প্রশাসনকে যুক্ত করা, ইউনিয়ন কাউন্সিলরদের মাধ্যমে বার্তা পৌছানো, লোকাল মিডিয়াকে কাজে লাগানো, বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটিগুলো সক্রিয় করা- এসব জোর পদক্ষেপ নেয়া এবং কার্যক্রমগুলো চলমান রাখার দাবি জানান তিনি। 

প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা আক্তার হানুম বলেন, এডভোকেসি চালিয়ে যেতে হবে। প্ল্যটর্ফমগুলোকে নির্যাতন প্রতিরোধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। শহরেও সহিংসতা আছে কিন্তু গ্রামীণ কমিউনিটিতে সহিংসতা আরও বেশি। গ্রামের মানুষের সচেতনতা বাড়াতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, মিডিয়ার মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমরা যখন বলি, আমরা মধ্য আয়ের দেশে যাচ্ছি, সেখানে আমার নারীর উন্নতি না হলে আমি আয় দিয়ে কি করবো। সুতরাং নারীর উন্নয়ন আজকের ডেভেলপমেন্ট’র একটি বড় অংশ। 

আইনজীবি তাহমিদ আকাশ জানান, ধর্ষণ মামলার আর্জিতে ত্রুটি থাকার কারণে অনেক সময় আসামি জামিন পেয়ে যায় বলে। মোবাইল ফোনে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা, এর জন্য ব্র্যাক এ সংক্রান্ত বিভাগের সহায়তা নেওয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলিং বিভাগকে এসব তথ্যগুলো দেওয়ার প্রস্তাব করছি।

সভাপতির বক্তব্যে নারী নিরাপত্তা জোটের আহবায়ক শাহীন আনাম বলেন, করোনা মহামারির মতো নারীর প্রতি সহিংসতাও আমাদের সমাজে মহামারির মত। নারী ঘরে-বাইরে সবখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। করোনার কারণে স্বামীর চাকরি নেই, সংসারে অভাব। সব মিলিয়ে এসবের প্রভাব পড়ে নারীর ওপর। 

তিনি বলেন, নারীর পাশাপাশি শিশুদের ওপরও নির্যাতন ও সহিংসতা অনেক বেড়ে গেছে। এ সব সহিংসতা মেনে  নেয়া যায় না। এর বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। 

আলোচনার এক পর্যায়ে আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট-এর সমন্বয়ক জিনাত আরা হক নারী নির্যাতন প্রতিরোধে কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, লকডাউনে অর্থনীতির চাকা ও কাজের গতি বন্ধ বা থেমে থাকলেও নারীর প্রতি সহিংসতাটা চলমানই ছিল। তা নিরসনে আমাদের করণীয় এখন গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, আমরাই পারি সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। নারী নির্যাতন বন্ধে বাংলাদেশসহ ১৫টি দেশে আমরাই পারি’র কার্যক্রম চলছে। আমাদের মূল কাজ, মানুষের মানসিকতা ও আচরণ পরিবর্তন করা এবং জনমানুষের মধ্যে নারী নির্যাতনবিরোধী চেতনা গড়ে তোলা।  ২০১১ সাল থেকে একটি সতন্ত্র প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে এই জোট। 

তিনি জানান, ২০১৬ সালে আমরাই পারি’র সঙ্গে যুক্ত হয় নারী নিরাপত্তা জোট। সে বছর পহেলা বৈশাখ উৎযাপনকে ঘিরে নারীদের ওপর যৌন উত্ত্যক্তকরণের ঘটনা ঘটে। সেখান তাৎক্ষণিকভাবে অনেকে ধরনের প্রতিবাদ হয়। পরে বিভিন্ন সংগঠন, ব্যক্তি  প্রতিবাদ জানাতে থাকে। এর প্রেক্ষিতে বিভিন্ন রাজনৈতি, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবক  সংগঠনের সমন্বয়ে ‘নারী নিরাপত্তা জোট গঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্যাতনের বিরেুদ্ধে সবাই মিলে তাৎক্ষণিকভাবে একটি প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তোলা। ২০১৫ সালের ২৬ এপ্রিল সংগঠনটি গঠন করা হয় এবং এ কাজে সক্রিয় ছিল ৩০টি সংগঠন। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নারী পক্ষ , বিএনপিএস, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ,  আইন ও সলিশ  কেন্দ্র,  ব্লাস্টসহ বিভিন্ন এনজিও, ছাত্র-যুব ও স্বেচ্চাসবক সংগঠন এতে যুক্ত হয়। কার্যক্রমটির সচিবালয় হিসেবে কাজ করছে, আমরাই পারি জোট।  

সংলাপে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। সুপারিশগুলো হলো:
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইন ২০১০ এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও প্রচার প্রচারণা বাড়ানো। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও প্রচার প্রচারণা বাড়ানো। উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কাউন্সিলরদের সক্রিয়করণ, কমিটি গঠন, কমিটি সক্রিয়করণ, কমিটি বাস্তবায়ন। উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের ব্যবস্থা করা, তথ্য সরবরাহ করা, তথ্য প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা, অ্যাপ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা এবং সকল তথ্য অনলাইনে রাখার ব্যবস্থা করা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, সক্রিয়করণ এবং আইন প্রয়োগে কার্যকরী পদক্ষেপ নিশ্চিতকরণ। খুদে বার্তায় নারী নির্যাতন বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা বাড়ানো।