ঢাকা, রবিবার ২৪, মার্চ ২০১৯ ০:১৯:৫৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
বরিশালে বাস ও মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে তিন নারীসহ নিহত ৬ বসল নবম স্প্যান, পদ্মা সেতুর প্রায় দেড় কিলোমিটার দৃশ্যমান ব্রেক্সিট নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ব্রিটেনকে দুই সপ্তাহ সময় দিল ইইউ গোটা নিউজিল্যান্ডের নারীরা স্কার্ফে মাথা ঢাকবেন আজ চীনে কেমিক্যাল প্লান্টে বিস্ফোরণ, নিহত ৪৭

কিডনি রোগে দুই কোটি মানুষ আক্রান্ত, অধিকাংশই নারী-শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:০৩ পিএম, ১৪ মার্চ ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় দুই কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের কিডনি রোগে ভুগছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার রোগী দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি।

আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশন, কিডনি ফাউন্ডেশন ও ক্যাম্পসের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া।

এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জানান, কিডনি বিকল হয়ে গেলে ডায়ালাইসিস বা কিডনি সংযোজন ছাড়া বাঁচার কোনো উপায় থাকে না। তবে, এ দুটি পদ্ধতি খুবই ব্যয়বহুল। ফলে শতকরা প্রায় ৮০ জন রোগী কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করে।

এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ খুবই জরুরি। পাশাপাশি মানসম্মত ডায়ালাইসিস সেবা প্রদান এবং কিডনি সংযোজনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কিডনি সংযোজনের বিষয়ে ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, জীবিত মানুষের কাছে কিডনি পাওয়া খুবই দুষ্কর। এর বিকল্প হিসেবে মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে কিডনি সংগ্রহ করা যেতে পারে। কিন্তু ধর্মীয় অনুশাসন ও রক্ষনশীল মানসিকতার কারণে এই কিডনি সংগ্রহ করারও বেশ জটিল। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে চাই প্রচার, সচেতনতা এবং মন মানসিকতার পরিবর্তন।

দেশে কিডনি রোগী বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে আলোচকগণ অলস জীবন যাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ধুমপান, রক্তে অতিরিক্ত কোলেস্টরেল, বায়ু, পানি ও খাদ্যদূষণ, অসচেতনতাকে দায়ী করেন।

বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. নজরুল ইসলামের সভাপত্বিতে আরও বক্তব্য রাখেন ক্যাম্পস সভাপতি অধ্যাপক এম এ সামাদ, কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আর রশিদ, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব (স্বাচিপ) অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. ইসতেশামুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

-জেডসি