ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭, জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:২৪:২২ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
সন্ত্রাস-মাদক-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে `জিরো টলারেন্স` : প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নামে ফেসবুক খুলে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ পরীক্ষায় নকল রোধে আসছে আধুনিক প্রযুক্তি অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলের স্পন্সর ‘কে-স্পোর্টস’ জাতিসংঘের এক-তৃতীয়াংশ নারীকর্মী যৌন হয়রানির শিকার মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সংরক্ষিত আসনে ত্যাগী-রাজপথে সক্রিয়দের প্রাধান্য : কাদের জমতে শুরু করেছে বাণিজ্যমেলা, ছাড়ের ছড়াছড়ি

কোরবানির প্রিয় পশুটির সঙ্গে শিশুদের ঈদ আনন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৫:২৫ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বুধবার

কোরবানির ঈদ এলেই ঘরের ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়েরা আনন্দে মেতে উঠে। কোরবানির গরু, ছাগল পেয়ে যারপরনাই খুশি হয় বাচ্চাগুলো। আবার ঈদের দিন প্রিয় পশুকে কোরবানি দেয়ার সময় অনেক বাচ্চারা চোখের পানিও ফেলে।


 
এটাই কোরবানির বিশেষত্ব। কোরবানির ইতিহাস সুপ্রাচীন। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নত অনুসরণ করেই সারা বিশ্বের মুসলমানরা ১০ জিলহজ কোরবানি দিয়ে থাকেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.) স্বপ্নে তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু কোরবানির জন্য মহান আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পেয়েছিলেন। পরপর দুবার তিনি পশু কোরবানি করেন। তৃতীয়বার একই নির্দেশ পেয়ে তিনি অনুধাবন করেন, পুত্র ইসমাইলের চেয়ে প্রিয় তার কেউ নেই। আল্লাহপাক তাকেই কোরবানি করতে নির্দেশ দিচ্ছেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রাণপ্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে আল্লাহর নির্দেশ জানালেন। শিশু ইসমাইল (আ.) নির্ভয় চিত্তে সম্মতি দিয়ে পিতাকে আল্লাহ তাআলার নির্দেশ পালন করতে বলেন। কোরবানি করতে উদ্যত হজরত ইব্রাহিম (আ.) পুত্রস্নেহে যেন হৃদয় দুর্বল না হয়ে পড়েন, সে জন্য তিনি চোখ বেঁধে নিয়ে পুত্রের গলায় ছুরি চালিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলার অপার কুদরতে এ সময় হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়।



তাই কোরবানির পশুর প্রতি সেরকমই ভালবাসা থাকতে হয়। সে ভালবাসাটা বাচ্চাদের মধ্যেই পাওয়া যায়। ছোট ছোট শিশুরা কোরবানির পশু বাসায় আনার পর পরই নিজের হাতে গরুকে খড়,ভূষি খাওয়ায়। ছাগল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। বিভিন্ন গাছের পাতা খাওয়ায়।

 

সেরাজুস সালেকীন তামজীদ ও তাবাস্সুম তৈয়বা দুই ভাই-বোন। তাদের বাবা এবার গরু কিনেছেন। গরু দেখে দুজনেই বেজায় খুশি। দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী তৈয়বার প্রিয় গরু। তৈয়বা বলল, আমার গরু ভাল লাগে। কারণ গরু ছাগলের চেয়ে বড়। আমাদের গরুটি বুধবার জবাই করা হবে। তখন আমার খুব খারাপ লাগবে। তৈয়বার ভাই তামজীদ বলল, আমাদের গরুটি অনেক শান্ত। কাউকে গুঁতা মারেনা। দুই ভাই-বোন এর মধ্যে গরুর নামও রেখেছে ফেলেছে। ওদের গরুর নাম প্রিয়। 

 


এরকম ঘটনা শুধু তামজীদ তৈয়বার নয়, বরং প্রতিটি পরিবারের বাচ্চাদের গল্প। যারা কোরবানির তিনদিন আগে কেনা পশুর জন্য নিজের ভালবাসা, পছন্দ উজাড় করে দেয়। এভাবেই কোরবানির ঈদ সবার ঘরে ঘরে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ। শিক্ষা আসুক কোরবানির মহত্ম ও আত্বত্যাগের মাঝেই।