ঢাকা, শুক্রবার ১৩, ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:০৫:৪৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কাল গুগল সার্চের শীর্ষ দশে দীপু মনি রোহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে শুনানি শেষ; শিগগিরি রায় পেঁয়াজের দাম কমে অর্ধেকে নেমেছে, সবজিতেও স্বস্তি বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় শেখ হাসিনা ফিলিপাইন্সে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ৬ জন নিহত

ক্ষুদ্র ঋণ দারিদ্র্য বিমোচন নয়, লালন করে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:২৫ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে মানুষের জীবন মান উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এক সময় ক্ষুদ্রঋণ আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম দারিদ্র বিমোচন হবে। পরে দেখলাম দারিদ্র বিমোচন না হয়ে দারিদ্র লালন পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সাত দিনব্যাপী পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (পিকেএসএফ) উন্নয়ন মেলা-২০১৯ উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধামুক্ত করেছি। এবার লক্ষ্য দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা। দেশের প্রতিটি পরিবারকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চাই। শুধু বর্তমান না আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ রেখে যেতে চাই। যাতে তারা সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’সহ বেশকিছু কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের গৃহীত এসব কর্মসূচির ফলে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ২১ ভাগে নেমে এসেছে। আগামীতে এটাকে ১৬ ভাগে নামিয়ে আনতে চাই।

সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপের লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্গচাষী ঋণ পেতে বিনা জামানতে আমরাই তাদের ঋণ দিতে শুরু করি। সহজেই কৃষি সরঞ্জাম পেতে কৃষকদের কৃষি উপকরণ কার্ড দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা গৃহহীনদের ঘর দিয়ার পদক্ষেপ নিয়েছিলাম তারপর তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। গৃহহারাদের ঘরবাড়ি করে দেয়ার কর্মসূচিও অব্যাহত রেখেছি। প্রতিটি পরিবারকে দারিদ্র থেকে মুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছি। প্রত্যেক পরিবারকে দারিদ্র থেক মুক্ত করতে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবসময় দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। কারণ এই সংগঠন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া। তিনি বলেন, ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করি। আমরা সবসময় হিসাব করেছি, আমাদের মূল শত্রুটা হলো দারিদ্র্য। আর দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হবে, দারিদ্র্যের হাত থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে হবে। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই কর্মপরিকল্পনা আমরা প্রণয়ন করি। যখন আমরা বিরোধী দলে ছিলাম, তখনই আমরা এটা তৈরি করি। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা কাজ শুরু করি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা প্রথমবার যখন সরকারে আসি, তখন দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করি।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের উৎপাদিত পণ্যপ্রদর্শনী ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১৩০টি প্রতিষ্ঠানের ১৯০টি স্টল এ মেলায় স্থান পাবে।

নিত্য ব্যবহার্য পণ্য থেকে শুরু করে প্রান্তিক ক্ষুদ্র উৎপাদকদের উৎপাদিত বিষমুক্ত কৃষিপণ্য, খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী, প্রসিদ্ধ ও সমাদৃত হাজারও পণ্যের সমাহার নিয়ে বসছে এই মেলা। মেলার নির্বাচিত শিল্পীদের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ের শিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রতি সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন থাকবে।

-জেডসি