ঢাকা, রবিবার ২৪, মার্চ ২০১৯ ০:২৬:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
বরিশালে বাস ও মাহেন্দ্রর সংঘর্ষে তিন নারীসহ নিহত ৬ বসল নবম স্প্যান, পদ্মা সেতুর প্রায় দেড় কিলোমিটার দৃশ্যমান ব্রেক্সিট নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ব্রিটেনকে দুই সপ্তাহ সময় দিল ইইউ গোটা নিউজিল্যান্ডের নারীরা স্কার্ফে মাথা ঢাকবেন আজ চীনে কেমিক্যাল প্লান্টে বিস্ফোরণ, নিহত ৪৭

গত বছর ব্রেস্ট ক্যান্সারে ৬ লাখের বেশি নারীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৩৫ পিএম, ৯ মার্চ ২০১৯ শনিবার

যেসব ক্যান্সারে নারীরা আক্রান্ত হতে পারেন, ব্রেস্ট ক্যান্সার তার মধ্যে অন্যতম। শুধু যে নারীরাই ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হন তা নয়, পুরুষদেরও হতে পারে এ রোগ। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর প্রায় ২১ লক্ষ নারী আক্রান্ত হন ব্রেস্ট ক্যান্সারে। একই সাথে ক্যান্সারজনিত নারীদের মৃত্যুর কারণ হিসেবেও শীর্ষে এই মরণব্যাধী। শুধু ২০১৮ সালেই ব্রেস্ট ক্যান্সারের কারণে ৬ লাখ ২৭ হাজার নারী মৃত্যুবরণ করেছেন।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পিংক লাইফ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে এসব তথ্য উঠে আসে।

'ব্রেস্ট ক্যান্সার: কতটা সচেতন আমরা?' শিরোনামে এ গোলটেবিল বৈঠকে অতিথি হিসেবে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. পারভীন সাহেদা, অধ্যাপক ডা. জাফর মাসুদ, অধ্যাপক ডা. সাইফ উদ্দিন আহমেদ, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব সাখাওয়াত মুন, সাংবাদিক মুন্নি সাহা, ব্রেস্ট ক্যান্সার সারভাইভার সালমা সুলতানা মৌসুমী এবং বাফুফের ওমেন উইং চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শোভন আরেফ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি মরণব্যাধি এই ক্যান্সার বিষয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই বলেও জানান তারা। 

বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় উঠে আসে, বাংলাদেশে ব্রেস্ট ক্যান্সারের ভয়াবহতার একটি অন্যতম কারন হলো এদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট, অজ্ঞতা, লজ্জা, দ্বিধা, সংকোচ। সমাজ থেকে, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হবার ভয়ে নারীরা তাদের ব্রেস্ট ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধীর কথা কারো কাছে প্রকাশ করেন না, এমন কি চিকিৎসকের কাছে আসতেও দ্বিধাবোধ করেন।