ঢাকা, সোমবার ২২, জুলাই ২০১৯ ১৭:৩৪:০৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
মিন্নির জবানবন্দি প্রত্যাহার ও চিকিৎসার আবেদন নামঞ্জুর বন্যার্তদের সহায়তা করতে ঢাবিতে কনসার্ট আজও ঢাবির ফটকে তালা, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ মাগুরায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

ডায়াবেটিস রোগীরা কতটা আম খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১২ পিএম, ১ জুন ২০১৯ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন গরমের তীব্রতা বাড়ছে। এই সময়ে সবার কাছেই মজাদার ফল আম। পাকা আমের ঘ্রাণ ও স্বাদ গরমের কষ্ট অনেকটাই কমিয়ে দেয়। কিন্তু তারই সঙ্গে প্রতিদিন মনে ঘুরতে থাকে দুশ্চিন্তা। প্রতিদিন আম খাচ্ছি, মোটা হব না তো? ডায়াবেটিস ঠিক থাকবে তো?

আমাদের মনে আম নিয়ে এমন অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। তবে ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, আশ্বানি এ আমগুলোর মজা কি চিন্তার কারণে বাদ দেয়া যায়। আমের যাবতীয় উপকার-অপকারগুলো জেনে নিলে সহজেই চিন্তামুক্ত হবেন।

ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষ কি আম খেতে পারে?

পুষ্টিবিদরা বলেন, আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ৫০ এর বেশি। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কার্বোহাইড্রেটের সূচক। যত কম গ্লাইসেমিক রেটের খাবার খাওয়া হবে ততই শরীরের ভাল। ডায়াবেটিসের রোগী আম খেতে পারেন না, এ কথা ভুল।

তবে ভরপেট খাওয়ার পরে দুপুরে বা রাতে আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বুদ্ধি করে আম খেতে হবে। যে দিন সকালে আম খাওয়া হবে, সেদিন দুপুরে খাবারের পরিমান কমিয়ে ফেলতে হবে।

পাকা মিষ্টি আম একজন ডায়াবেটিস রোগী প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ গ্রাম খেতে পারেন। মানে প্রতিদিন একটি ছোট আম বা অর্ধেক মাঝারি আম খাওয়া যাবে।

আম খেলে কি ওজন বাড়ে?

একটি হিমসাগর বা ল্যাংড়া আমের খোসা ও আঁটি ছাড়িয়ে নিলে প্রায় ২০০ গ্রাম অবশিষ্ট থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমান প্রায় ১৫০। শর্করা ৩৩.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৮ মিলিগ্রাম, লৌহ ২.৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ ৫০০০ মাইক্রোগ্রামের উপর।

আঁশ আছে প্রচুর, ৭ গ্রামের বেশি। পটাশিয়াম ১৯৬ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৩০২ মিলিগ্রাম। খাবারে পরে আম খেলে শরীরে অতিরিক্ত শর্করা যোগ হয়। যারা ক্যালোরি মেপে খাবার খান, তারা আম খেতে ভয় পাবেন না।

আমের অন্যান্য গুণ

আমের মধ্যে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা কোলন-সহ প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। স্তন ক্যান্সার ও লিউকিমিয়ার ক্ষেত্রেও আমের উপকার লক্ষণীয়। এতে প্রচুর পরিমানে এনজাইমও থাকে।

ত্বকের যত্নেও অনেক উপকারি এই ফলটি। ভিতর ও বাইরে থেকে ত্বককে সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের রোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে আম।

আম চোখের জন্যও উপকারী। মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ-এর চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ পূরণ করে।

ভিটামিন এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা করে। আমে পাওয়া যায় টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও সাইট্রিক অ্যাসিড যা শরীরে অ্যালকালাই বা ক্ষার ধরে রাখতে সহায়তা করে।

আমে রয়েছে এনজাইম, যা শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়াও আমে রয়েছে প্রায় ২৫ রকমের বিভিন্ন কেরাটিনয়েডস যা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে রাখবে সুস্থ ও সবল।

-জেডসি