ঢাকা, রবিবার ১৫, ডিসেম্বর ২০১৯ ১:২২:৩৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
জিয়া ছিলেন মোস্তাকের সবচেয়ে বিশ্বস্ত : প্রধানমন্ত্রী তাইওয়ানে আগুনে ৭ জনের মৃত্যু, আহত ২ আজ নয়, ১৬ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সাথে স্বজনদের সাক্ষাৎ স্টামফোর্ড শিক্ষার্থী রুম্পাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

দার্জিলিং: টয়ট্রেন নিয়ে যাবে চা বাগানে

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৪৮ পিএম, ৩ আগস্ট ২০১৯ শনিবার

সবুজে ঢাকা পাহাড়, ঝর্ণা, নাম-না-জানা হাজারো ফুল, বন্যপ্রাণী এবং সাজানো পাহাড়ের ঢালে চা বাগান-সহ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা দার্জিলিং। প্রতিবছর ভ্রমণপিপাসু মানুষ ভিড় জমায় এখানে। এইসব ছাড়াও দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়া মানুষদের প্রধান ইচ্ছা থাকে টয় ট্রেন চড়ে শহর দেখা। এবার এই আকর্ষণকে নতুন রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু হচ্ছে। এতে সংযোজন করা হচ্ছে নতুন আকর্ষণ। টয় ট্রেনে চড়ে রাজকীয় ভাবে পাহাড় ভ্রমণ। রাজস্থানের পর বাংলায় এই অভিনব প্রকল্প শুরু করতে চলেছে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ও রাজ্য পর্যটন বিভাগ।

দার্জিলিং-এ ঘুরতে যাওয়া মানুষদের কাছে একটি বিশেষ আকর্ষণ টয় ট্রেন। এই টয় ট্রেনকেই আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। ট্রেনের মধ্যেই তৈরি করা হবে একটা ছোট প্রাসাদ। এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে চা-বাগান ভ্রমণকেও। চা-বাগানের মধ্যে দিয়ে ট্রেনটি যাবার সময় বাগানের মধ্যেই নেমে ঘুরতে পারবেন। এছাড়াও, ইচ্ছু্করা যদি সেই সব চা-বাগানে থাকতে চান তারও ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই ভ্রমণের জন্য রেল ও রাজ্য পর্যটন বিভাগের অন্তর্গত প্যাকেজ ট্যুরের অন্তর্গত হতে হবে। এই প্যাকেজের রাজকীয় টয় ট্রেনে ভ্রমণ, চা-বাগানে থাকা, ভ্রমণ সবই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
 
দার্জিলিং-এর টয়ট্রেন ইউনেস্কো স্বীকৃত হেরিটেজ রেলওয়ে। এটি ইন্ডিয়ান রেলওয়ের দার্জিলিং হিমালয় রেলওয়ের অন্তর্গত। এই প্যাকেজে পর্যটকরা বিখ্যাত চা-বাগানে থাকতে পারবেন। সেখানে কীভাবে চা-তৈরি হয়, দেখতে পারবেন তাও। টয়ট্রেনের যাত্রাপথে কয়েকটি প্রাচীন ও নামী চা-বাগান আছে, সেগুলিকে এই উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশন করা হবে আঞ্চলিক খাবার। থাকবে স্থানীয় শিল্পকলা ও নৃত্যও। অর্থাৎ ট্রেনে ভ্রমণ করার সঙ্গে সঙ্গে পরিচিত হবেন দার্জিলিং-এর নিজস্ব সংস্কৃতি, শিল্পকলা ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে। এছাড়া এর মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের রোজগারেরও একটা নতুন পথ খুলে যাবে।