ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭, সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:২৬:০৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বিমানের যাত্রীদের আস্থা অর্জন করুন: প্রধানমন্ত্রী ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি কেনাকাটায় সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী ভিকারুননিসায় ফওজিয়ার যোগদানে বাধা নেই কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছি, পারলে প্রমাণ করুক: জাবি ভিসি জাবি ভিসির দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ধর্ষকের কাঠগড়ায় নেইমার, ভিডিও প্রকাশ

ক্রীড়া ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:০৫ পিএম, ৭ জুন ২০১৯ শুক্রবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

অবশেষে নেইমারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা ব্রাজিলীয় মডেল নাজিলা ত্রিনদাদে মেন্ডেস ডি সুজা মুখ খুললেন। অভিযোগ আনার পর মেন্ডেজ ডি সুজা একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। এরপর মেন্ডেস দাবি করেছেন, নেইমারকে বার বার নিষেধ করার পরও সে আগ্রাসী হয়ে জোরপূর্বক আমার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করেন।

প্যারিসের একটি হোটেলে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর একটি ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। এক মিনিটের এই ভিডিওতে যদিও পরিষ্কার নয়, নেইমার যে জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছেন।

শুরুতে দু’জনকেই দেখা যায় বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায়। খানিকক্ষণ পরেই দেখা যায় নেইমারকে আঘাত করছেন মেন্ডেস। এরপর নেইমারও পাল্টা আঘাত করেন।

ব্রাজিলের একটি টিভি চ্যানেলে মেন্ডেস জানান, নেইমারের সঙ্গে যৌন মিলন করতে সম্মতি ছিল আমার।

ওই অনুষ্ঠানে মেন্ডেস বলেন, আমি যখন নেইমারকে জিজ্ঞেস করি, তার কাছে কনডম আছে কিনা? সে বলে, তার কাছে নেই। এরপর আমি অসম্মতি জানাই যৌন সম্পর্ক স্থাপনে। আমি অসম্মতি জানানোর পর সে জোর করতে থাকে। আমি তাকে বারবার থামতে বলার পরও সে থামেনি বরং আমার সাথে জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে।

মেন্ডেস আরও বলেন, আমি এখন বিচার চাই। ও আমাকে শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও আঘাত করেছে। আমি ওর শাস্তি চাই।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, ওই নারীর সঙ্গে নেইমারের পরিচয় হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে। পরে নেইমার ওই নারীকে প্যারিসে তার সঙ্গে দেখা করার প্রস্তাব দেন। তিনি ওই নারীকে ব্রাজিল থেকে প্যারিসে আসার জন্য একটি বিমান টিকিট পাঠান এবং প্যারিসের ওই হোটেলে তার জন্য রুম রিজার্ভেশন নিশ্চিত করেন।

ওই নারীর অভিযোগ, গত ১৫ মে নেইমার যখন হোটেলে ফিরেন, তখন তিনি ‘মাতাল’ ছিলেন। হোটেলে এসেই তিনি ওই নারীর সঙ্গে কিছু কথা বলে তাকে জড়িয়ে ধরেন।

একপর্যায়ে নেইমার বেসামাল অবস্থায় ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। দুদিন পর ওই নারী ফরাসি পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ না করেই ব্রাজিলে ফিরে যান।
ওই নারীর দাবি, ধর্ষণের ঘটনায় তিনি ছিলেন হতবিহ্বল। তা ছাড়া অন্য দেশে এ ধরনের অভিযোগ করার বিষয়ে তিনি ভয় পাচ্ছিলেন।

-জেডসি