ঢাকা, সোমবার ২০, জানুয়ারি ২০২০ ০:৫১:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ফরিদপুরে অগ্নিকাণ্ডে মা-মেয়ের মৃত্যু ভারতের নাগরিকত্ব আইনের প্রয়োজন ছিল না: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ধর্ষণ প্রতিরোধক ডিভাইস সরবরাহের নির্দেশনা চেয়ে রিট স্ত্রী-শাশুড়িসহ ৪ জনকে হত্যার পর আত্মহত্যা

নুসরাত হত্যা মামলা নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৫৩ পিএম, ৩০ মে ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলাটির চার্জশিট শুনানির জন্য ২১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন মামলাটি পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করেন। একইসঙ্গে মামলাটির পরবর্তী তারিখ ১০ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

এ সময় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চট্টগ্রাম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবালসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় এর আগে গত বুধবার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা ও আওয়ামী লীগের দুই স্থানীয় নেতাসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে ফেনীর আদালতে চার্জশিট জমা দেয় তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই। এতে প্রত্যেক আসামির মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ সিরাজকে আসামি করা হয়েছে নুসরাতকে হত্যার ‘হুকুমদাতা’ হিসেবে।

ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সাতজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আর আসামিদের মধ্যে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ১২ জন।

গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পাঁচ দিন পর মৃত্যু হয় নুসরাতের। এ ঘটনা তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা আলোচিত এ মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, মো. শামীম, কামরুন নাহার মনি, আবদুর রহিম ওরফে শরিফ, ইফতেখার হোসেন রানা, এমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আবদুল কাদের ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ওই মাদ্রাসার সহসভাপতি রুহুল আমিন।

এদের মধ্যে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, উম্মে সুলতানা পপি, কামরুন নাহার মনি, জাবেদ হোসেন, আবদুর রহিম ওরফে শরীফ, হাফেজ আবদুল কাদের ও জোবায়ের আহমেদ, এমরান হোসেন মামুন, ইফতেখার হোসেন রানা ও মহিউদ্দিন শাকিল আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

-জেডসি