ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৮, জুলাই ২০১৯ ২:২১:০১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত: তদন্তকারী কর্মকর্তা আগামীতে দেশে বিদ্যুৎচালিত ট্রেন চলবে: প্রধানমন্ত্রী পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা মিন্নি পাঁচ দিনের রিমান্ডে এইচএসসির ফলাফলে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নুসরাতের মা-বাবার সাক্ষাত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:২৮ পিএম, ১৫ এপ্রিল ২০১৯ সোমবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন ফেনীর সোনাগাজীতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির মা-বাবা। এসময় নুসরাত জাহান রাফির দুই ভাইও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নুসরাতের পরিবারের প্রতি সান্ত্বনা ও গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, দুষ্কৃতকারীরা কেউই আইনের হাত থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাবে না।

আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নুসরাতের বাবা একেএম মুসা ও মা শিরিন আক্তারসহ দুই ভাই শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাদের সব প্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। সাক্ষাতের সময় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ ফেনীর সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত আক্তার রাফিকে যৌন হয়রানি করেছিল ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলা। এ ঘটনায় নুসরাত থানায় অভিযোগ করলে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর থেকেই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা তুলে না নেওয়ায় নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

গত ৬ এপ্রিল পরীক্ষার আগ মুহূর্তে মিথ্যা কথা বলে নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়। শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় জীবনের সঙ্গে লড়াই করে হেরে যান তিনি। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। গত ৬ এপ্রিল (শনিবার) সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। এ সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের উপর কেউ মারধর করছে- এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চার তলায় যান।

সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। ১০ এপ্রিল বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

-জেডসি