ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭, জানুয়ারি ২০১৯ ২৩:৪৬:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
সন্ত্রাস-মাদক-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে `জিরো টলারেন্স` : প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নামে ফেসবুক খুলে প্রতারণা, গ্রেফতার ৫ পরীক্ষায় নকল রোধে আসছে আধুনিক প্রযুক্তি অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন থেরেসা মে বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলের স্পন্সর ‘কে-স্পোর্টস’ জাতিসংঘের এক-তৃতীয়াংশ নারীকর্মী যৌন হয়রানির শিকার মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সংরক্ষিত আসনে ত্যাগী-রাজপথে সক্রিয়দের প্রাধান্য : কাদের জমতে শুরু করেছে বাণিজ্যমেলা, ছাড়ের ছড়াছড়ি

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরি: ফিলিপাইনের সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার জেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৩৫ পিএম, ১০ জানুয়ারি ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অর্থপাচারে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন রিজল কমার্সিয়াল ব‌্যাংক করপোরেশনের (আরসিবিসি)ব্যবস্থাপক ম্যাইয়া সান্তোস ডিগুইটো। মাইয়া দেগুইতোকে আদালত ৩২ থেকে ৫৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র মেকাটি শহরের একটি আদালত অর্থ পাচারের আটটি অভিযোগে এ রায় দিয়েছে।

ফিলিপিন্সের ঋণদাতা ব্যাংক রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংকের একটি শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ডিগুইটো অর্থ পাচারের আটটি অভিযোগে মেকাটি আঞ্চলিক বিচার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন।

তিন বছর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডাকাতির ঘটনা ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি। সে সময় বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ডলারের বেশি অর্থ চুরি করা হয়।

ফিলিপাইনের একটি আঞ্চলিক আদালত ম্যানিলাভিত্তিক রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংক কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মাইয়া দেগুইতোকে ৩২ থেকে ৫৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হওয়া আটটি অভিযোগের প্রত্যেকটিতে চার থেকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ১০ কোটি ৯ লাখ ডলার জরিমানা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে (ফেড) রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অজ্ঞাত অপরাধীরা অর্থ হাতিয়ে নেয়।

পাঁচটি সুইফট বার্তার মাধ্যমে চুরি হওয়া এ অর্থ ম্যানিলার আরসিবিসি ব্যাংকের একটি ব্র্যাঞ্চের একাউন্টে পাঠানো হয়। সে সময় ওই ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মাইয়া দেগুইতো। এরপরেই ওই অর্থ ফিলিপাইনের জুয়ার টেবিল ঘুরে হাতবদল হয়।

২৬ পৃষ্ঠার শুনানিতে আদালতের তরফ থেকে জানানো হয় যে, এই অর্থ লেনদেনে তার কোন হাত ছিল না বলে মাইয়া দেগুইতো যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আদালতের ওই রায়ে আরও বলা হয়েছে, অবৈধ ব্যাংক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।

-জেডসি