ঢাকা, শুক্রবার ২১, জানুয়ারি ২০২২ ১৩:৪২:১৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা রাজধানীর বাজারে সবজির দাম বেড়েছে আরেক দফা করোনায় বিশ্বে আরও প্রায় ৯ হাজার মৃত্যু, শনাক্ত সাড়ে ৩৪ লাখ যাত্রাবাড়ীতে সড়ক দূর্ঘটনায় এক নারীসহ প্রাণ গেল ৩ জনের মেক্সিকোতে একদিনে সর্বোচ্চ করোনা সনাক্তের রেকর্ড লাইবেরিয়ায় পদদলিত হয়ে নারী-শিশুসহ মৃত ২৯

বাচ্চাদের খেজুর খাওয়ানোর উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:১২ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২২ মঙ্গলবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শীতকালে খেজুর খাওয়ার কথা ছোটবেলা থেকেই সবার জানা। বিশেষত বাড়িতে কোনও ছোট বাচ্চা থাকলে তাদের খেজুর খাওয়ানো হয় এই সময়। তবে শীতকালে খেজুর খাওয়ার ওপর কেন এত জোর দেওয়া হয়, তা কী জানা আছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এ ছাড়াও এতে ভিটামিন, আয়রন, ক্যালশিয়াম, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি ব্যাক্টিরিয়াল ও ফাইবারের মতো উপাদান আছে। এই সমস্ত পুষ্টিকর উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত করতে সাহায্য করে।

বাচ্চাদের শীতের খাদ্য তালিকায় খেজুর অন্তর্ভূক্ত করার উপকারিতা জেনে নিন-


> শীতকালে প্রতিদিন খেজুর খেলে বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এতে ক্যালশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন, অ্যান্টি ব্যাক্টিরিয়াল ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান থাকে। যা শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে। পাশাপাশি যে কোন রোগ মোকাবিলায় সাহায্য করে।

> খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গনিজ ও সেলেনিয়াম থাকে। এই সমস্ত উপাদানগুলো হাড় মজবুত করার পাশাপাশি রক্ত পরিশোধন করতে সাহায্য করে। তাই বাচ্চাদের নিয়মিত খেজুর খাওয়ালে, তা তাদের হাড় মজবুত করতে সহায়ক হয়।

> চিনির ভালো বিকল্প হল খেজুর। এতে গ্লুকোস, ফ্রুক্টোস ও সুক্রোসের মতো প্রাকৃতিক চিনি আছে। এটি শিশুদের সারাদিনের শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। শীতকালে বাচ্চাদের প্রতিদিন খেজুর খাওয়ালে আলস্য দূর হয়।

> নিয়মিত খেজুর খেলে মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা উন্নত হয়। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে যে, মস্তিষ্কে ইন্টারল্যুকিন ৬-এর মতো ইনফ্ল্যামেটরি মার্কার কম করতে খেজুর সহায়তা প্রদান করে থাকে।

> আপনার সন্তানের শরীরে রক্তের অভাব থাকলে, তা দূর করবে খেজুর। নিয়মিত খেজুর খেলে লোহিত রক্তকণিকার স্তর বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি রক্তাল্পতাও দূর হয়। এতে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া রোগীদের সুস্থ হতে সাহায্য করে।

সূত্র: এই সময়