ঢাকা, রবিবার ২৩, ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:১৫:৪০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
খালেদার স্বাস্থ্যের সর্বশেষ তথ্য জানতে চায় হাইকোর্ট দুই বিশ্ববিদ্যালয়কে ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করোনায় ৬ জনের মৃত্যু; আতঙ্কে ইরান ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১৬ মার্চ কালিয়াকৈরের মৌচাকে বাস উল্টে মা-মেয়ের মৃত্যু করোনার আক্রমনে মৃতের সংখ্যা ২৪৫৮

মৌসুমের চতুর্থ শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:১৫ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২০ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেও ছিল এক দফা শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার থেকে আবারো দেশজুড়ে শুরু হলো মৌসুমের চতুর্থ শৈত্যপ্রবাহ।এই শৈত্যপ্রবাহ আরও বিস্তৃত হতে পারে। এতে শীতের কাঁপুনি আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শীতের সঙ্গে আছে হিমালয় থেকে আসা ঠাণ্ডা বায়ুর প্রবাহ। আছে ঘন কুয়াশাও। কুয়াশার প্রকোপ বাড়ায় বিভিন্ন স্থানে সূর্য দেখা যায়নি। ঢাকা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ আশপাশ এলাকায় শনিবার সারা দিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।

রাজধানী ও আশপাশের অঞ্চলে শনিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। ফলে সূর্যের দেখা মিলছে না। এর প্রভাবে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি।তবে রবিবার সকালের দিকে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

এছাড়াও জানা যায়, বছরের শুরুর শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়েছিল। মাঝখানে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এখন রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রাজধানীতেও দিনের তাপমাত্রাও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিকে এবং জানুয়ারির শুরুতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে দুই দফা মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়।

এদিকে, শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। উষ্ণতার খোঁজে মানুষ গরম পোশাকের সন্ধান করছেন। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে অনেকে।বিশেষ করে নিম্নআয়ের লোকজন কষ্টে পড়েছেন। কাজের সন্ধানে বের হতে না পেরে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে।হাড় কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা।

-জেডসি