ঢাকা, রবিবার ৩১, মে ২০২০ ৩:৩৬:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
Equality for all
শিরোনাম
করোনা রোধে জনপ্রতিনিধিরা আরও সম্পৃক্ত হন: প্রধানমন্ত্রী করোনা: মৃতের সংখ্যায় স্পেনকে ছাড়ালো ব্রাজিল করোনা রোগীকে ‘চলে যেতে চাপ দিচ্ছে’ ইউনাইটেড করোনা : আক্রান্ত কমলেও বেড়েছে মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১,২২৫ জনের মৃত্যু চট্টগ্রামে শিশুসহ ২২৯ জনের করোনা শনাক্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় এশিয়ার শীর্ষে ভারত

সন্ধ্যা ছয়টার পর বের হলেই ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৩০ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০২০ শুক্রবার

সন্ধ্যা ছয়টার পর বের হলেই ব্যবস্থা

সন্ধ্যা ছয়টার পর বের হলেই ব্যবস্থা

ঘাতকব্যধি মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি অফিসে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ ছুটির সঙ্গে নতুন কিছু নির্দেশনাও জারি করেছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে সারা দেশে সন্ধ্যা ৬টার পর বাইরে বের হওয়া যাবে না। বের হলেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ শুক্রবার ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়ানো হলো।

প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত সাপ্তাহিক ছুটি ও সাধারণ ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল এবং ১৯ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সাধারণ ছুটির সঙ্গে ১৭ ও ১৮ এপ্রিল এবং ২৪ ও ২৫ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হবে।

এই ছুটি সাধারণ ছুটির মতো বিবেচিত হবে না উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে কয়েকটি শর্ত দিয়ে সেগুলো কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রশমনে জনগণকে অবশ্যই ঘরে অবস্থান করতে হবে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে অনুরোধ করা হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার পর কেউ বাড়ির বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় চলাচল কঠোরভাবে সীমিত থাকবে। আর বিভাগ, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে।

ছুটির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জরুরি সেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্পপণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এই ছুটির মধ্যে পড়বে না। জরুরি প্রয়োজনে অফিসগুলো খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা চালু রাখা যাবে। আর বিরাজমান পরিস্থিতি উন্নতি হলে মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। এ ছাড়া মানুষের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দেবে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়েছিল। এরপর ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এখন চতুর্থ দফায় ছুটি বাড়ল।