ঢাকা, শুক্রবার ১৪, আগস্ট ২০২০ ১৩:১০:০০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেপ্টেম্বরের শেষে স্কুলে ফিরবে তুর্কী শিক্ষার্থীরা যত দিন বেঁচে আছি এতিমদের পাশে থাকব: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে ১৬৫টি করোনার টিকা তৈরির কাজ চলছে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ জাতীয় শোক দিবসে ঢাকায় কঠোর নিরাপত্তা বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৭ লাখ ছাড়ালো বাইরের প্যাকেট করা খাবারের মাধ্যমে করোনা ছড়ায় না: হু

সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকোর্স বন্ধের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:০৪ পিএম, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার

ইউজিসি লোগো

ইউজিসি লোগো

দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্য কোর্স বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। আজ বুধবার সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কাছে চিঠিতে সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধসহ ১৩ দফা নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সান্ধ্য কোর্সের মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সম্প্রতি এমন কথা বলার পর এই নির্দেশনা দেওয়া হলো।

সান্ধ্য কোর্স বন্ধ করার কারণ হিসেবে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সান্ধ্য কোর্স পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশিষ্ট্য ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, বিধায় এই ধরনের কোর্সগুলো বন্ধ হওয়া দরকার। সেই সঙ্গে ইউজিসির অনুমোদন না নিয়েই দেশের কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ, প্রোগ্রাম ও ইনস্টিটিউট খুলে শিক্ষার্থী ভর্তি করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে, যা বাঞ্ছনীয় নয়।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম স্বাক্ষরিত নির্দেশনা সম্বলিত একটি চিঠি বুধবার দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ ও পদ সৃষ্টিতে ইউজিসির পূর্বানুমোদন, পদন্নোতি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুসরণসহ মোট ১৩ দফা নির্দেশনার কথা বলেছে ইউজিসি।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫২তম সমাবর্তনে আচার্য আবদুল হামিদ বলেন, ‘‌‌‌বাণিজ্যিক কোর্সের মাধ্যমে প্রতিবছর হাজার হাজার গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। এসব ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষার্থীরা কতটুকু লাভবান হচ্ছে এ ব্যাপারে প্রশ্ন থাকলেও এক শ্রেণির শিক্ষক কিন্তু ঠিকই লাভবান হচ্ছেন। তারা নিয়মিত নগদ সুবিধা পাচ্ছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করছেন।’