ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৮, জুলাই ২০১৯ ২:৪১:২৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
শিরোনাম
রিফাত হত্যায় মিন্নি জড়িত: তদন্তকারী কর্মকর্তা আগামীতে দেশে বিদ্যুৎচালিত ট্রেন চলবে: প্রধানমন্ত্রী পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা মিন্নি পাঁচ দিনের রিমান্ডে এইচএসসির ফলাফলে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী

সরকার কোনো চ্যানেল বন্ধ করেনি: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:৩১ পিএম, ২ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার

ছবি: উইমেননিউজ২৪

ছবি: উইমেননিউজ২৪

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা ভারতীয় টেলিভিশন জি নেটওয়ার্কের চ্যানেলগুলো বাংলাদেশে বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি। শুধু আইনের প্রয়োগ করেছে মাত্র। মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে সম্প্রচার বন্ধ করতে বলা হয়নি, বলা হয়েছিল আইন অনুযায়ী বিজ্ঞাপন ছাড়া যেন সম্প্রচার করা হয়।  

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে বিদেশি চ্যানেলে ডাউনলোড করে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন দেখানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এখনো কিছু কিছু চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখা যাচ্ছে। এই বিষয়ে আমরা দুটি পরিবেশককে নোটিস দিয়েছি। আমরা কোনো চ্যানেল বন্ধ করিনি।

মঙ্গলবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সিনেমা হল মালিকদের সাথে আলোচনা সভার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে ডাউনলিংক করে বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। সরকার এ সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। আইন না মানার কারণে বাংলাদেশের টেলিভিশন খাতে বিজ্ঞাপনের বাজার বাইরে চলে গেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কেবল ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬ এর উপ ধারা ১৯ (১৩) এর বিধান লঙ্ঘন করে বাংলাদেশে ডাউনলিংকৃত বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে পরিবেশক সংস্থা ন্যাশনওয়াইড মিডিয়া লিমিটেড এবং জাদু ভিশন লিমিটেডকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদেরকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের যারা টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক তারা জানেন, আপনাদের টেলিভিশন চ্যানেল যখন ইউকে প্রদর্শন করা হয় তখন এখানে যে বিজ্ঞাপনগুলো দেখান, সেগুলো সেখানে দেখানো যায় না। সেখানে সেই দেশের বিজ্ঞাপন দেখানো যায়। একই ধরনের আইন ভারত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশে আছে।  সে সব দেশে এ আইন মানা হয়।
 
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এ আইনটি মানা হচ্ছিল না। আইনটি প্রয়োগ করা হয়নি। সেটি না করার কারণে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যে বিজ্ঞাপন পেত সেগুলো চলে গেছে ভারতে।

পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী জানান, ইউনিলিভার বাংলাদেশে পাঁচ বছর আগে বিজ্ঞাপনখাতে বাংলাদেশে ১৫ কোটি টাকা খরচ করত। যেটি পাঁচ বছর পরে ২০ কোটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কমে পাঁচ কোটিতে গেছে। বাকি বিজ্ঞাপন ভারতীয় চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রদর্শন করা হচ্ছিল, যেটি আইন বর্হিভূত। এরকম আরো অনেক কোম্পানি বছরে ৫০০ থেকে এক হাজার কোটি টাকার বিজ্ঞাপন অন্য দেশে চলে গেছে। টাকাটাও চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশের শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা আইনটি প্রয়োগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করছি।

সরকার এ বিষয়ে কতোটা কঠোর থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আপনারা সঙ্গে থাকলে…, আমি সহযোগিতা চাই। আমরা নতুন কোনো আইন প্রয়োগ করছি না। দেশের স্বার্থে, দেশের গণমাধ্যম এবং টেলিভিশনের স্বার্থে এবং টেলিভিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক-কলাকুশলীর স্বার্থে প্রচলিত আইন প্রয়োগ করা শুরু করেছি।

-জেডসি