ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৪:২০ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ভোলায় কোরবানীর পশুর মজুদ পর্যাপ্ত

অনলাইন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:২২ পিএম, ৪ আগস্ট ২০১৯ রবিবার

আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ভোলা জেলায় চাহিদার চেয়ে বেশি পশুর মজুদ রয়েছে। এবছর কোরবানীর জন্য সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার পশু। আর মজুদ রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার পশু। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৭৮ হাজার ৮৩৮, ছাগল ২৮ হাজার ৩৮৬, মহিষ ১ হাজার ৫৫৬ ও ভেড়া ১ হাজার ৬৩৭টি। যা গত বছরের চাহিদার তুলনায় ৫ হাজার বেশি।

প্রাণী সম্পদ দপ্তর সূত্র জানায়, জেলার মোট পশুর মজুদের মধ্যে সদর উপজেলায় রয়েছে ২৪ হাজার ৬৮১ টি। দৌলতখানে ১২ হাজার ৪১৭। বোরহানউদ্দিনে ২০ হাজার ৯৯৫। তজুমদ্দিনে ৯ হাজার ২৩৪। লালমোহনে ১৪ হাজার ৫৯৭। চরফ্যাসনে ১৯ হাজার ৮৬৪ ও মনপুরায় ৮ হাজার ৬৩৯টি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে ৫ হাজার ৬৬৩ টি খামার ও পারিবারিকভাবে এসব পশু মোটা-তাজা করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুামার মন্ডল আজ বাসস’কে জানান, গত কোরবানীতে জেলায় প্রায় ১ লাখ ২হাজার পশু জবেহ করা হয়েছে। এবছর পশুর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৫ হাজার হয়েছে। কোন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে পারিবারিকভাবে ও খামারগুলোতে পশু হৃষ্ট-পুষ্ট করা হচ্ছে। সবুজ ঘাস, দানাদার খাদ্য, ভাত, খরের সাথে ইউরিয়াসহ সুষম খাবার খায়ানো হচ্ছে এসব পশুকে।

এদিকে কোরবানীর পশুর হাটগুলোতে যাতে অসুস্থ বা রুগ্ন গরু না তোলা হয় সে জন্য জেলার ৭ উপজেলায় ১৬টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এসব মেডিকেল টিমে ৪জন থেকে ৭জন পর্যন্ত সদস্য রয়েছে। গতকাল থেকেই এসব টিম পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় হাটগুলোতে কাজ করা শুরু করেছে। এছাড়া কোরবানী দাতাদের করণীয় সম্পর্কে দিক নির্দেশনা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে হাটগুলোতে।

প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আরো জানান, নিষিদ্ধ ক্ষতিকারক ওষুধের বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন দোকান ও খামারগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোন দোকানে এসব ওষুধ পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, এছাড়া খামারেও পশুর শরীরের ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সাধারণত সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব ক্ষতিকর উপাদান মেশানো হয়। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছি এসবের বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পশু জবাইয়ের জন্য জেলায় ২৫০ জন কষাইকে বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষা ও পশুর চামড়া যাতে নষ্ট না হয় এ বিষয়ে কষাইদের দক্ষ করে তোলা হয়েছে। এছাড়া ১৮ বছরের নিচে যাতে কেউ পশু জবাই না করে সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে।