সূচিকর্ম সেলাই গ্রামীণ মহিলাদের আত্মনির্ভরশীল করেছে
প্রকাশিত : ০৬:০২ এএম, ৩ জুলাই ২০১৫ শুক্রবার | আপডেট: ০৬:০২ এএম, ৩ জুলাই ২০১৫ শুক্রবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, রংপুর : সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মেয়েদের পোশাকে নান্দনিক সূচিকর্ম শিল্পের কাজের মাধ্যমে রংপুর বিভাগের গ্রামীণ মহিলারা আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করেছেন।
ঈদ-উল-ফিতর ও দুর্গাপূজা উৎসবের আগে সূচিকর্মের বিপুল চাহিদার কারনে এবং দ্বিগুন উপার্জনের আশায় এখন এই সফল নারীরা ব্যস্ততম সময় পার করছে।
সফল গ্রামীণ নারী মতে, রাজধানীসহ দেশের অত্যাধুনিক বাজারে নান্দনিক সূচিকর্ম শিল্পের কাজ করা মেয়েদের পোশাকগুলো উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
বিভিন্ন এনজিও সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক ৪২ হাজার বেকার গ্রামীণ গৃহকর্ত্রী, তালাকপ্রাপ্ত, অল্পবয়সী মেয়েরা, শিক্ষার্থীরা এবং বিধবারা এ পেশার সঙ্গে জড়িত হয়ে এদের মধ্যে প্রায় ২৩ হাজার আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করেছেন।
সরকারের এবং এনজিও’র সহায়তায় বিভিন্ন গ্রামীণ নারী সংগঠনের মাধ্যমে মেয়েদের শাড়ি, থ্রি পিসসহ বিভিন্ন পোশাকে নান্দনিক সূচিকর্ম সেলাই শিল্পের কাজ করে তারা তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করছে।
আরডিআরএস বাংলাদেশ’র প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেশন মঞ্জুশ্রী সাহা বলেন, পোশাকে নান্দনিক সূচিকর্ম সেলাই শিল্পের কাজ করে রংপুর অঞ্চলের নারীরা তাদের দারিদ্র্যতাকে জয় করেছেন, তারা তাদের সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন দেখছেন।
আরডিআরএস বাংলাদেশ’র সহায়তায় ২ হাজার ২৫০ জন বেকার গ্রামীণ গৃহকর্ত্রী, তালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবারা এ পেশার সঙ্গে জড়িত হয়ে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করেছেন বলে তিনি জানান।
বিশিষ্ট উদ্যোক্তা চাঁদ মিয়া জানান, সূচিকর্ম এবং অলঙ্কৃত সেলাই কারিগর তৈরি করার মাধ্যমে তিনি অনেক নারীর কর্মসংস্থান করতে সক্ষম হয়েছেন।
চাঁদ মিয়া আরো জানান, সূচিকর্ম শেষ করার পর তার এখানে তৈরী করা প্রতিটি শাড়ি রাজধানী ঢাকার বাজারে সাত হাজার থেকে ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়াও স¤্র¢ান্ত বিপনী বিতানগুলোতে উচ্চমূল্যে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে।
সূচিকর্মে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনকারি একটি গ্রামের শামীমা, মর্জিনা, সোহানা ও মল্লিকারা ঈদ-উল-ফিতর ও দুর্গাপূজা উৎসবের আগে বিপুল চাহিদার করনে মাসিক ২ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকার মতো দ্বিগুণ করে উপার্জন করেছে।
স্থানীয় উদ্যোক্তা মামনি বেগমের কুটির শিল্পে ৫০০ নারী আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করেছেন।
০৩.০৭.২০১৫ 