ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ৮:২৪:৫৮ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সন্তান প্রসবে ২৬.৫ ভাগ দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর সহায়তা পান দরিদ্র মা

প্রকাশিত : ০৩:১০ পিএম, ৫ জুলাই ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৩:১০ পিএম, ৫ জুলাই ২০১৫ রবিবার

Mother-childস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : সন্তান জম্মদানের সময় শতকরা ৪৩.৫ ভাগ মেয়েদের ক্ষেত্রে যেখানে একজন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত থাকেন সেখানে দরিদ্রতম পরিবারের মেয়েদের ক্ষেত্রে মাত্র ২৬.৫ ভাগ এই সেবা পেয়ে থাকেন। রবিবার বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউনিসেফ পরিচালিত এক জরিপে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা আছে, বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও ভৌগলিক অঞ্চল, গ্রাম ও শহর অঞ্চলের বিভিন্ন সম্পদ স্তর বিশিষ্ট পরিবারের মধ্যে এবং মায়েদের শিক্ষার বিভিন্নতার কারণে বৈষম্য বিদ্যমান রয়েছে। ইউনিসেফের কারিগরি সহায়তায় বিবিএস বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় এই মাল্টিপল ক্লাস্টার জরিপ পরিচালনা করা হয়। ২০১২-এর ডিসেম্বর মাস থেকে ২০১৩-র এপ্রিল মাসের মধ্যে ২২৪ জন মাঠ কর্মকর্তা মোট ৫৯ হাজার ৮৯৫টি পরিবার থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করা হয় বলে প্রতিবেদন প্রকাশকালে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান এই জরিপে ৭৯টি সামাজিক নির্দেশক মূল্যায়ন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৬টি হলো সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বিষয়ক নির্দেশক। পুরো দেশে শিশুর বেঁচে থাকা ও শিক্ষা, সঠিক সময়ে বুকের দুধ খাত্তয়ানো শুরু করা, শিশু ও নবজাতকের মৃত্যু হার হ্রাস, প্রাকবিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার এবং বিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাত্তয়ার হার ইত্যাদি ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি হলেও সব শ্রেণি-পেশা মানুষের একসঙ্গে বিবেচনা করলে অগ্রগতির সামনে চ্যালেঞ্জ থেকেই যায়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জরিপ ফলাফল অনুযায়ী সন্তান জম্মদানের সময় শতকরা ৪৩.৫ ভাগের ক্ষেত্রে যেখানে একজন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত থাকেন সেখানে দরিদ্রতম পরিবারের মেয়েদের ক্ষেত্রে মাত্র ২৬.৫ ভাগ এই সেবা পেয়ে থাকেন। তুলনামুলকভাবে ধনী পরিবারে এই হার ৭২.৮ ভাগ। সন্তান প্রসবের সময় দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি পূর্বাঞ্চলের তুলনায় দেশের পশ্চিমাঞ্চলে সাধারণভাবে অনেক বেশি হলেও চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী ও বান্দরবান জেলায় এই হার যথাক্রমে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ম। বাল্য বিবাহের প্রচলন এখনও উচ্চমাত্রায়, ২০-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এই হার ৫২.৩ ভাগ, যাদের বিয়ে হয়ে যায় ১৮ বছরের আগেই এবং ১৮.১ শতাংশের বিয়ে হয় ১৫ বছর বয়সের আগে। ২০-৪৯ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনের ৩ জন ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন যা ৬২.৮ শতাংশের সমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফতেমা এনডিসিসহ আরও অনেকে। ০৫.০৭.২০১৫