ঢাকা, বুধবার ১১, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:২৭:৪৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

কারাগারে মিন্নির সঙ্গে তার আইনজীবীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৩৭ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০১৯ শনিবার

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির সঙ্গে কারাগারে দেখা করেছেন তার আইনজীবী। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মিন্নির সঙ্গে দেখা করার জন্য আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম কারাগারে প্রবেশ করেন।

মিন্নির সঙ্গে দেখা করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই আইনজীবী কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মিন্নিকে দুই শর্তে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

কারাগারের বাইরে আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিন্নির সঙ্গে আমার দুটি বিষয়ে কথা হয়েছে। এ আদেশ অনুযায়ী কারাগার থেকে মিন্নির মুক্ত হতে আরও কয়েকটি আইনি প্রক্রিয়া ও দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এ আইনি প্রক্রিয়া ও দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন হতে দু-চারদিন সময় লাগবে। এ জন্য মিন্নি যাতে হতাশাগ্রস্ত না হন, এটা আমি মিন্নিকে বুঝিয়ে বলেছি।’

এই আইনজীবী বলেন, ‘মিন্নির জামিন আদেশে গণমাধ্যমে কথা না বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে কথা বললে মিন্নির জামিন বাতিল হবে। তাই জামিনে মুক্ত হওয়ার পর মিন্নি যাতে কোনোভাবেই গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলেন সেটাও জানিয়ে দিয়েছি।’

মাহবুবুল বারী আসলাম আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ যদি আপিল করেন এবং আপিলের শুনানি হতে যদি সময় লাগে, তাহলে আদালত মিন্নির জামিনের আদেশ স্থগিত করতে পারেন অথবা যদি আপিল করার সঙ্গে সঙ্গে শুনানি হয়, তাহলে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন নামঞ্জুরও করতে পারেন। আবার মিন্নির জামিনে মুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আদালত কোনো আদেশ না দিয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করতে পারেন।  এগুলো সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় দুই শর্তে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। শর্ত দুটি হলো, মিন্নি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন না এবং তাকে তার বাবার জিম্মায় থাকতে হবে। জামিনে থাকা অবস্থায় মিন্নি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বললে তার জামিন বাতিল হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করেন হাইকোর্ট।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।  মামলায় মিন্নিকে প্রধান সাক্ষী করা হলেও পরে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।  এরপর থেকেই কারগারে আছেন মিন্নি।