ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ৮:২০:০৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

রং ফর্সাকারী ক্রিমে ক্ষতিকর রাসায়নিক; বিট্রেনে সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৩৩ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিট্রেনের স্থানীয় সরকার যুক্তরাজ্যের ভোক্তাদেরকে রং ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারে সতকর্তা জারি করা হয়েছে। সতর্কবার্তায় বলা হচ্ছে, যেকোনো মূল্যে এ ধরনের পণ্য ব্যবহার করা থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

বিট্রেনের স্থানীয় সরকার সংগঠনের (এলজিএ) সতর্কবার্তায় বলা হচ্ছে, রং ফর্সাকারী ক্রিমে থাকা উপাদান ত্বকের উপরিভাগের একটি স্তরকে ধ্বংস করে দিতে পারে। সম্প্রতি দেশটিতে বাণিজ্য মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাদের হাতে এ ধরনের কিছু পণ্য জব্দ হওয়ার পর এই হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, অনেক পণ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান হাইড্রোকুইনোন থাকে। এছাড়াও অনেক ক্রিমে মার্কারি বা পারদ থাকার কথাও জানা গেছে। এলজিএ বলছে, কিছু খুচরা ব্যবসায়ী, অনলাইন এবং বাজারের কিছু দোকানীসহ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা এ ধরনের পণ্য বিক্রি করছে।

বিক্রেতারা সবসময় পণ্যের সঠিক মাত্রা উল্লেখ করে না, যার কারণে ভোক্তারা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েন। এলজিএ জানিয়েছে, হাইড্রোকুইনোন এমন এক রাসায়নিক যা জৈবিক রং পরিবর্তনের এক ধরনের উপাদান বা পেইন্ট স্ট্রিপার। এই রাসায়নিক মানুষের ত্বকের একটি স্তরকে অপসারণ করে দিতে পারে। এর ফলে ত্বকের ক্যান্সার, যকৃত এবং কিডনির মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়। পারদ থেকেও একই ধরনের প্রাণঘাতী স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরির আশঙ্কা থাকে।

চিকিৎসকের অনুমোদন ছাড়া হাইড্রোকুইনোন, স্টেরিয়ড বা পারদ রয়েছে এমন ক্রিম তাদের মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে বিট্রেনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এলজিএর নিরাপদ ও শক্তিশালী কমিউনিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান সিমন বলেন, ‘নিষিদ্ধ পণ্যসমৃদ্ধ ত্বকের ক্রিম খুবই বিপজ্জনক এবং এগুলো স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে, সারা জীবনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে এমনকি মৃত্যুও হতে পরে। তাই এগুলোকে যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলা উচিত।’

তিনি জানান, ‘ভোক্তাদের সব সময় তাদের ক্রিমে কি উপাদান রয়েছে তা খতিয়ে দেখা উচিত। খুব কম দাম হলে আরও বেশি সচেতন হওয়া উচিত কারণ সেগুলো নকল এবং ক্ষতিকর হতে পারে। সেইসঙ্গে হাইড্রোকুইনোন রয়েছে এমন পণ্য ব্যবহার করা উচিত নয়।’

-জেডসি