ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ১০:৩৭:৫২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর মুখ খুললেন স্ত্রী, যা বললেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:১৪ পিএম, ৬ অক্টোবর ২০১৯ রবিবার

সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী

সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী

যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে গ্রেপ্তারের পর রাজধানীর মহাখালীতে তার বাসায় অভিযান চালাচ্ছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যরা। আরেকটি দল অভিযান চালাচ্ছে শান্তিনগরে সম্রাটের ভাই বাদলের বাসায়।

আজ রোববার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে মহাখালীর ওই বাসায় অভিযানের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরী।   

এ সময় শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ওর (সম্রাট) সাথে আমার দুই বছর ধরে সম্পর্ক নাই। ও যে ক্যাসিনোর গডফাদার, এটাও আমি জানি না। আমি জানি যুবলীগ... ভালো একটা নেতা। এটা ঢাকা দক্ষিণের সবাই জানে। আমার সাথে দুই বছরের যেহেতু দূরত্ব, সে কারণে আমি জানি না ও এতবড় ক্যাসিনো চালায়।

সম্রাটের জুয়ার নেশা রয়েছে জানিয়ে তার স্ত্রী বলেন, ‘ওর সম্পদ বলতে কিছু নাই। ও যা ইনকাম করে ক্যাসিনো চালিয়ে, তা দলের জন্য খরচ করে, দল পালে। আর যা বোধহয় রাখে, সিঙ্গাপুর কিংবা...এখানে জুয়া খেলে। ও সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলতেই যেত। জুয়া খেলা তার নেশা, কিন্তু সম্পত্তি করা তার নেশা না।’  

সম্রাট ক্যাসিনোতে কীভাবে আসলেন-এমন প্রশ্নের উত্তরে শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ক্যাসিনোতে ও (সম্রাট) ধীরে ধীরে কীভাবে আসছে, সেটা আমি জানি না। কিন্তু ওর নেশা আছে জুয়া খেলার।’

ক্যাসিনো চালাতে সম্রাটকে নিষেধ করতেন কি না, উত্তরে তার স্ত্রী বলেন, ‘ওর (সম্রাট) সাথে আমার একটু মিলত কম। মানে ও ছেলে-পেলে নিয়ে থাকতে বেশি পছন্দ করত। ও কিন্তু শুরু থেকেই সম্রাট। নাম যেমন... ও কিন্তু আর যারা আছে, ওদের মতো না। আগে থেকেই ওর চলাফেরা খুব ভালো।’

ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অভিযানের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাবো। তিনি যদি আরও আগে উদ্যোগ নিত, আরও ভালো হতো।’

ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যেই তার দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এরপর গতকাল শনিবার রাত থেকে তার গ্রেপ্তার হওয়ার খবর আসলেও রোববার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকা দক্ষিণ মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পর সংগঠনের নেতাকর্মী নিয়ে নিজ কার্যালয়ে অবস্থান নিয়েছিলেন সম্রাট। পরে তার আর খোঁজ মিলছিল না।