আবরার হত্যা: মিয়া সেপ্পোকে তলব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৩:৪৬ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৯ রবিবার
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘ ঢাকা অফিসের দেওয়া বিবৃতির বিষয়ে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোকে তলব করে ব্যাখ্যা চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন এবং সেখানে তিনি প্রায় ৪০ মিনিটের মতো অবস্থান করেন।
আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে মিয়া সেপ্পো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হয়ে জাতিসংঘ উইংয়ের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মিয়া সেপ্পো সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে জাতিসংঘের ঢাকা অফিস যে বিবৃতি দিয়েছিল, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয় আবাসিক প্রতিনিধির কাছে। সরকার মনে করে- জাতিসংঘ বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার। আবরার হত্যাকাণ্ডের মতো কোনও ঘটনার বিষয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধির বিবৃতি দেওয়া অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত।
সম্প্রতি বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের বাংলাদেশের আবাসিক সমন্বয়ের অফিস থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়। সেই বিবৃতিতে ফাহাদের মৃত্যুর নিন্দা জানিয়ে দ্রুত তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
সূত্র জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মিয়া সেপ্পোকে অবহিত করা হয়, জাতিসংঘের বিবৃতিতে মত প্রকাশের জন্যই ফাহাদ হত্যা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এ বিষয়ে তাকে বলা হয়, শুধু মত প্রকাশের কারণেই ফাহাদকে হত্যা করা হয়নি। ফেসবুকে ফাহাদ যে সমালোচনা করেছেন, এমন সমালোচনা অনেকেই করে থাকেন বলেও মিয়া সেপ্পোকে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭ ব্যাচ) ছাত্র ফাহাদকে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে ৭ অক্টোবর হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১১ জনকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
-জেডসি
