জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১২:০৯ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ বুধবার
ছবি: সংগৃহীত
কানাডার সদ্য সমাপ্ত ফেডারেল নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাওয়ায় লিবারেল পার্টির প্রধান জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কানাডার ৪৩তম সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে লিবারেল পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার জন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাই। আমার খুব আনন্দের বিষয় আপনার বিজয়। আমার বিশ্বাস; আপনার এই বিজয় বিশ্ব নেতৃত্ব হিসেবে সত্যিকারের স্বীকৃতি।
শেখ হাসিনা বলেন, কানাডার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সর্বদা গুরুত্ব দেয়। ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিয়ের এলিয়ট ট্রুডোর অমূল্য অবদানকে বাংলাদেশের জনগণ স্মরণ করে থাকে। তখন থেকে আমাদের জনগণের মধ্যে সাধারণ উদার নৈতিক আদর্শ ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে ঘনিষ্ঠ অব্যাহত রেখেছি।
বাংলাদেশের সরকারপ্রধান বলেন, আপনি ২০১৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে আমাদের সম্পর্ক উল্লেখযোগ্য গতি অর্জন করেছে। রোহিঙ্গা সঙ্কট মোকাবেলার বিষয়ে আপনার সক্রিয় ও অবিচ্ছিন্ন সহায়তার জন্য আমরাও আপনার কাছে কৃতজ্ঞ। আমি নিশ্চিত যে, আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ, উষ্ণ এবং দুর্দান্ত সম্পর্ক আছে; তা সামনের বছরগুলোতে আরো জোরদার হবে।
জাস্টিন ট্রুডো কানাডার লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে ২০১৫ সালে দেশটির ২৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। জো ক্লার্কের পর তিনি কানাডার দ্বিতীয় কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতা পিয়েরে ট্রুডোও কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্নাতক শেষে ট্রুডো ভ্যানকুভারের ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
কানাডার রাজধানী অটোয়াতে জন্ম নেয়া ট্রুডো কলেজ জিন-দ্যে-ব্রেবুফ এ পড়ালেখা করেন। ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে এবং ১৯৯৮ সালে ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়া থেকে স্নাতক করেন। পিতার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াতে দেয়া একটি বক্তব্যের মাধ্যমে সবার নজরে আসেন ট্রুডো।
বাবার মৃত্যুর আট বছর পর ট্রুডো রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ২০০৮ সালের ফেডারেল নির্বাচনে হাউজ অফ কমন্সে তিনি কানাডার পাপিনিয়ায় বিভাগের (লিবারেল পার্টির যুব ও সংস্কৃতি বিভাগ) সাংসদ নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের এপ্রিলে ট্রুডো লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব পান। ২০১৫ সালে তার নেতৃত্বে ১৮৪টি আসন পেয়ে কানাডার ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন নিয়ে লিবারেল পার্টি সরকার গঠন করে।
-জেডসি
