ধর্ষকদের তাড়িয়ে ফের নিজে করলেন ধর্ষণ!
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৬:০১ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০১৯ রবিবার
ছবি: সংগৃহীত
ভোলার চরফ্যাশন থেকে মনপুরায় স্পিডবোটে যাওয়ার পথে এক নারীকে চরে নিয়ে ধর্ষণ করেছে চার সহযাত্রী। পরে তাদের তাড়িয়ে দিয়ে ধর্ষণ করেন স্পিডবোটের মালিক।
গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) বেলা একটার দিকে উপজেলার চর পিয়ালে এক বাগানের মধ্যে গণধর্ষণের এ অভিযোগ উঠেছে। পাঁচজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের সহায়তা করার অভিযোগে গতকাল রাতে মনপুরা থানায় মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ। আজ রবিবার তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ধর্ষণের অভিযোগে মামলার আসামিরা হলেন- মনপুরার সাকুচিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং স্পিডবোটের মালিক নজরুল ইসলাম (৩০), যাত্রী মো. বেলাল পাটোয়ারী (৩৫), মো. রাশেদ পালোয়ান (২৫), মো. শাহীন খান (২২) ও মো. কিরন (২৬)। ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে আসামি হলেন স্পিডবোটের চালক মো. রিয়াজ।
মামলার এজাহারে বাদী গৃহবধূ জানিয়েছেন, তিনি তার আড়াই বছরের শিশুকে নিয়ে মনপুরা যাওয়ার জন্য চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া লঞ্চঘাটে এসে দেখেন মনপুরাগামী লঞ্চটি ছেড়ে গেছে। বাধ্য হয়ে তিনি স্পিডবোটে চড়েন। সেসময় বোটে দুজন পুরুষ যাত্রী ছিলেন। পথে জনতার খালপাড় এলাকা থেকে আরও দুজন পুরুষ যাত্রী ওঠেন। বোটটি মনপুরার উদ্দেশে কিছুক্ষণ চলার পুরুষ চার যাত্রী মিলে জোরপূর্বক স্পিডবোটটি চর পিয়াল এলাকায় থামান। গৃহবধূকে চরে নামিয়ে ধর্ষণ করেন। স্পিডবোটের চালক মো. রিয়াজ বিষয়টি স্পিডবোটের মালিক নজরুল ইসলামকে জানান। খবর পেয়ে তিনি আরকেটি স্পিডবোটে করে চর পিয়ালে আসেন। ওই সময় নজরুল ইসলাম ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা চার যাত্রীকে মারধর করে তাদের কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেন। এরপর নজরুল নিজে ওই গৃহবধূকে আবার চরের ভেতরে ধর্ষণ করেন।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, এক নারীকে চরপিয়ালে ধর্ষণ করা হচ্ছে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ওই নারী বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
-জেডসি
