মন্ত্রিসভায় রদবদল একটি স্বাভাবিক বিষয় : প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত : ০৮:৩৪ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৫ রবিবার | আপডেট: ০৮:৩৪ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৫ রবিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিসভায় রদবদল একটি স্বাভাবিক বিষয় এবং যে কোন সময় তা করা হতে পারে।
তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে মন্ত্রিসভায় রদবদল একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয় এবং যে কোন সময় তা ঘটতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল সকালে এখানে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের নেতা-কর্মী, পেশাজীবি, বিচারক ও বিদেশী কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মন্ত্রী পদে পরিবর্তন বিষয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গত ৯ জুলাই এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে আশরাফকে দফতর বিহীন মন্ত্রী করা হয়েছিল এবং এক সপ্তাহের ব্যবধানে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
সৈয়দ আশরাফের দফতর পরিবর্তনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, যে কোন সময় মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দফতর বন্টন সরকার প্রধানের এখতিয়ার। আমরা সময়ে সময়ে এই ধরনের পরিবর্তন আনতে পারি।
তিনি উল্লেখ করেন, মন্ত্রিসভায় রদবদল এর কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা সঞ্চার করেছে এবং জনগণ বিষয়টিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এটি একটি সাধারণ বিষয়। সব দেশেই সবসময় এমনটি ঘটে। এ বিষয়ে কোন বিরূপ মন্তব্য করার সুযোগ নেই।
এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, স্বাধীনতা লাভের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন সরকার প্রধান ছিলেন, তখন বঙ্গবন্ধু দলের সভাপতির দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর মন্ত্রী পদ মর্যাদায় কামরুজ্জানকে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, কামরুজ্জামানকে তখন মন্ত্রীর পদ মর্যাদায় দলের সভাপতি করা হয়েছিল এবং তিনি দল পরিচালনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরো স্মরণ করেন যে, বঙ্গবন্ধু ১৯৫৭ মন্ত্রিসভা ত্যাগ করেছিলেন এবং দল গঠনের জন্য দলের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। এটি ছিল দেশে একটি অনন্য ঘটনা। তিনি হচ্ছে একমাত্র ব্যক্তি যিনি দল পুনর্গঠনের মন্ত্রিত্ব ছেড়েছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, দলে সবসময় এ ধরণের ঘটনা ঘটে। তাই, আমি মনে করি এ বিষয়ে অনেক কিছু লেখার কোন সুযোগ নেই।
১৯.০৭.২০১৫
