ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ০:১১:২৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

৩০টিরও বেশি শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছেন রবিন্দর

প্রকাশিত : ০৮:৪৯ এএম, ২২ জুলাই ২০১৫ বুধবার | আপডেট: ০৮:৫৪ এএম, ২২ জুলাই ২০১৫ বুধবার

indexউইমেননিউজ ডেস্ক, ঢাকা : গত সাত বছরে দিল্লি ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ৩০টির বেশি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে রবিন্দর কুমার (২৪)। জিজ্ঞাসাবাদে রবিন্দর ওই শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যার যে বিবরণ দেয় তাতে পুলিশও শিউরে উঠেছে। ওইসব শিশুদের সবার বয়স ১৪ বছরের কম ছিল। গণমাধ্যমের সামনেও শিশু হত্যার বিষয়টি সরাসরি স্বীকার করেছেন রবিন্দর কুমার। মুখোশ পড়া অবস্থায় তিনি এনডিটিভিকে বলেন, আমি তাদের চুপ করাতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা চিৎকার করায় মেরে ফেলি। পেশায় ট্রাকচালক রবিন্দর দাবি করেন, মাদকাসক্ত অবস্থায় তিনি শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যা করেছেন। তাকে যদি মদ্যপান করেন তবে ফের তাই করবেন। তাকে কেউ রুখতে পারবে না। তিনি বলেন, প্রতিবার এই কাজ করার পর আমার মধ্যে অপরাধবোধ জন্ম নেয়। কিন্তু আবার মদ পান করার পর আমি একই কাজ করি। দিল্লি ছাড়াও পার্শ্ববর্তী নারেলা, বাওয়ানা এবং আলিপুরের শিশুরাও তার শিকার হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে রবিন্দর। তদন্তের জন্য পুলিশ তাকে নিয়ে ওই সব স্থানে গিয়েছে। দিল্লি পুলিশের উপকমিশনার বিক্রমজিৎ সিং বার্তা সংস্থা আইএএনএস কে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে তার বর্ণনা শুনে আমার হৃদয় বার বার ভীষণভাবে কেঁপে উঠছিল। আমি কিসের ভেতর দিয়ে গিয়েছি সেটা ভাষায় বর্ণনা করতে পারবো না। তিনি আরও বলেন, আমি নিজে এই মামলাটি নজরদারি করছি। তদন্তে এখন পর্যন্ত আমরা যা পেয়েছি তাতে মনে হচ্ছে নিহত শিশুদের সংখ্যা ৪০ হবে। পুলিশকে রবিন্দর জানায়, ধর্ষণের সময় বাধা দেয়ায় বা তাকে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ায় সে ১১টি শিশুকে হত্যা করেছে। সাধারণত বিকালে বা খুব ভোরে সে এই অপরাধ করতো। বিক্রমজিৎ বলেন, সে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় গিয়ে বাড়ির বাইরে থাকা শিশুদের প্রথমে চকলেট বা টাকার লোভ দেখিয়ে অপরহণ করার চেষ্টা করতো। যদি কেউ যেতে রাজি না হতো তবে সে তাদের জোর করে তুলে নিয়ে যেত। ধর্ষণের বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখতে রাজি হওয়ায় কয়েকটি শিশুকে হত্যা না করে ছেড়ে দিয়েছে বলেও সে দাবি করেছে। ২২.০৭.২০১৫