ঢাকা, শুক্রবার ১৭, জুলাই ২০২৬ ২২:৪১:২৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ছাত্রলীগের কোন্দলে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ নবজাতকের চিকিৎসায় বোর্ড গঠন

প্রকাশিত : ০১:৫৩ পিএম, ২৮ জুলাই ২০১৫ মঙ্গলবার | আপডেট: ০১:৫৫ পিএম, ২৮ জুলাই ২০১৫ মঙ্গলবার

df_76205_0 স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, মাগুরা : মাগুরায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে মাতৃগর্ভে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুটির শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কানিজ হাসিনা শিউলীর তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
ডা. কানিজ হাসিনা শিউলী বলেন, শিশুটির চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আট সদস্য বিশিষ্ট একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। শিশু সার্জারির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফ-উল-হককে প্রধান করে এ বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
কন্যা শিশুটির বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি গুলি তার পিঠ দিয়ে প্রবেশ করে বুক দিয়ে বেরিয়ে গেছে। তবে তার ভেতরের সব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ রক্ষা পেয়েছে। তার হাত, গলা ও চোখে আঘাত আছে। চোখের আঘাত গুরুতর। প্রয়োজনীয় সব বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। শিশুটির ওজন দুই কেজি।
গত রবিবার ভোরে নবজাতককে মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত বৃহস্পতিবার মাগুরা শহরের দোয়ারপাড় কারিগরপাড়ায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নাজমা খাতুন গুলিবিদ্ধ হন। ওই গুলি তার পেটের সন্তানের শরীরও ভেদ করে।
ওই দিন রাতে মাগুরা সদর হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেন নাজমা। অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত শনিবার রাতে নবজাতককে ঢাকায় পাঠানো হয়। প্রসূতি মা মাগুরা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত মমিন ভূঁইয়া গত শুক্রবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগের জেলা শাখার সহ-সভাপতি সেন সুমনকে (৩২) প্রধান আসামি করে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নিহত মমিনের ছেলে রুবেল ভূঁইয়া গত রবিবার সদর থানায় মামলাটি করেন।
২৮.০৭.২০১৫