রাজধানীতে নারী বিক্রয় কর্মী ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে
প্রকাশিত : ০৬:০৪ এএম, ৩ আগস্ট ২০১৫ সোমবার | আপডেট: ০৬:০৬ এএম, ৩ আগস্ট ২০১৫ সোমবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : সম্প্রতি রাজধানীতে নারী বিক্রয় কর্মী ধর্ষণের সংখ্যা বাড়ছে। আইন ও সালিস কেন্দ্র-আসক বলছে, নারীদের কর্ম বিমুখ করতেই একটি শ্রেণি উদ্দেশ্যে প্রণোদিত হয়েই এই ঘটনা ঘটাচ্ছে। গণধর্ষণ প্রতিরোধে এখনই সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ সংগঠনটির।
ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস তাদের। এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বলছে, গণধর্ষণ দমনে বাড়ানো হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা।
গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর উত্তরায় কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে এক নারী কর্মজীবী গণধর্ষণের শিকার হন। এর কিছুদিন আগে ২২ মে রাজধানীর গুলশান এলাকার একটি দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে চলন্ত মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে উত্তরায় এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা।
আসকের তথ্য মতে, গত ৫ বছরে সারা দেশে গণর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১১শ' ৩৫টি। যার মধ্যে রাজধানীতে একাধিক গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরতে চলতি পথে গণধর্ষণের ঘটনা এই বছরই প্রথম।
আইন ও সালিস কেন্দ্র বলছে, এই ধরনের ঘটনা নারীদের নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করবে। যা নারীদের কর্মজীবী হওয়ার বড় বাধা।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, অর্থনৈতিক দিক থেকে যখন নারীরা সচ্ছল হতে চলেছে তখন নারীদের চলাচল ব্যাহত করার জন্য এ ধর্ষণ একটি হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতি বলছে, কর্মজীবী নারীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে দোকান মালিকদের জন্য একটি আচরণ বিধি তৈরি করা হচ্ছে। যা দ্রুত তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে বলেও জানায় দোকান মালিক সমিতি।
এদিকে মিডিয়া ডিএমপি অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার বলছেন, এই ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য মহানগরের সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আরও সজাগ থাকতে বলা হয়েছে।
নারী অধিকার কর্মীরা মনে করেন, গণধর্ষণ দমনে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের বিকল্প নেই।
০৩.০৮.২০১৫
