পুলিশের জন্য হবে মেডিকেল ইউনিট: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০২:৩৮ পিএম, ৬ জানুয়ারি ২০২০ সোমবার
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশের জন্য একটি মেডিকেল ইউনিট করা দরকার। কারণ, পুলিশ হাসপাতালগুলোতে অনেক সময় ডাক্তাররা যেতে চান না। তাই পুলিশের চিকিৎসার সুবিধার জন্য আমরা এ ব্যবস্থাও করে দেব। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঠিকমতো চলতে পারলে দেশের উন্নতি হয়। এজন্য আপনাদের দাবি তোলার আগেই আমি পূরণ করেছি।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগে থানায় ১০-১৫ জন করে লোক থাকতো। এখন প্রত্যেক থানায় অফিসারের সংখ্যা, পদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। পদোন্নতির সুযোগও বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। কাজেই আপনারা হিসাব করে দেখেন আগে সুযোগ কেমন ছিল আর এখন কেমন। আপনাদের চাওয়ার কিছু নেই। চাওয়ার আগেই আপনাদের সব দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় এসে দেখি পুলিশের বাজেট ৪০০ কোটি টাকা। আমরাই বাজেট দ্বিগুণ করে দেই। তখন পুলিশ রেশন পেতো ২০ শতাংশ। সেটাও আমরা দ্বিগুণ করেছিলাম। তখনকার অর্থনৈতিক অবস্থা ততটা ভালো ছিল না। তারপরও সাধ্যের মধ্যে যতটুকু সম্ভব করেছি। প্রতি বছর পুলিশ সপ্তাহ আসলে দাবি আসে। গতকাল (রবিবার) আমি আপনাদের দাবির বিষয়ে যা বলার বলে দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়। জাতির পিতাকে হত্যার পর আপামর জনসাধারণ উন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়ে গিয়েছিল। ছয় বছর পর প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে আমি দেশে ফিরে আসি। সেই সময়ের খুনিরা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। কারণ তাদের বিচার না করতে ইনডেমনিটি জারি করা হয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ৮১ সালে বাংলাদেশে আসার পর আমি পুরো দেশ ঘুরে বেড়াই। মাইলের পর মাইল হেঁটে, ভ্যানে চড়ে বা নৌকায় করে ঘুরে দেখেছি। মানুষের অবস্থা জানার চেষ্টা করেছি। ২১ বছর পর দেশে আমি ক্ষমতায় আসি। তবে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় না থাকার কারণে উন্নতি করতে পারিনি। এবারই আমরা টানা দুই মেয়াদে ক্ষমতায় ছিলাম। এখন পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো ছিল না। আমরা ক্ষমতায় আসার পর বাজেট ৭-৮ গুণ বাড়াতে পেরেছি। টানা ক্ষমতায় থাকার কারণেই এটা করতে পেরেছি। তবে বিএনপি-জামায়াত জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল মোকাবিলা করতে হয়েছে। তারা পুলিশ সদস্যদেরও হত্যা করেছে। আমরা এসব ব্যবস্থার মোকাবিলা করেই কাজ করছি।
-জেডসি
