ঢাকা, শুক্রবার ১৭, জুলাই ২০২৬ ১৭:১৫:০৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

কিশোরী অপহরণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ০২:৫৮ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৫ বুধবার | আপডেট: ০২:৫৮ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৫ বুধবার

22 স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, গাইবান্ধা : ২০ বছর পর গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের মল্লিকা অপহরণ মামলায় একজনের  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অন্য তিন আসামির বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত। বুধবার গাইবান্ধা স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক অম্লান কুসুম জিষ্ণু এই রায় ঘোষণা করা হয়। অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আবু আহম্মেদ আব্দুল্লা কনক জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মূল আসামি সাদুল্লাপুর উপজেলার পাঠানোছা গ্রামের আব্দুল মান্নানকে যাবজ্জীবন ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামি পলাশবাড়ী উপজেলার ঝালিঙ্গি গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাতানী সাদেকপুর গ্রামের মোছাদেকুর রহমান ওরফে শফিককে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লালমনিরহাট সদর উপজেলার পুলহাট গ্রামের পারভীন বেগমকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত পিপি আরও জানান, মামলার অন্য আসামি মিন্টু মিয়া ও অষিক চন্দ্র মণ্ডল ওরফে স্বীকৃতি মণ্ডলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ সন্দহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের ৬ জুন শিশু মল্লিকাকে আসামি আব্দুল মান্নান অন্য আসামিদের সহযোগিতায় বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর তাকে ধর্ষণ করার পর লালমনিরহাটের পতিতালয়ের সর্দারাণী পারভিন বেগমের কাছে বিক্রি করে। পরবর্তী সময়ে ওই পতিতালয় থেকে শিশুটিকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হয়। পাচারকালে পুলিশ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অপহরণকৃত মল্লিকাকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ মল্লিকাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এ ব্যাপারে মল্লিকার বাবা মোজাম্মেল হক বাদী হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় আব্দুল মান্নান, শহিদুল ইসলাম, মোছাদেকুর রহমান ওরফে শফিক, পারভীন বেগম, মিন্টু মিয়া ও অষিক চন্দ্র মণ্ডল ওরফে স্বীকৃতি মণ্ডলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। সরকার পক্ষে পিপি অ্যাডভোকেট আশুতোষ সাহা, অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান, হুমায়ন করীব স্বপন, আবু আহম্মেদ আব্দুল্লা কনক এবং আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামস-উল হীরু এই মামলা পরিচালনা করেন। ১২.০৮.২০১৫