দেশে করোনার জীবাণু নেই, তবে সর্তক থাকুন: আইইডিসিআর
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৪:৫৮ পিএম, ১ মার্চ ২০২০ রবিবার
ছবি: সংগৃহীত
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগী বাংলাদেশে পাওয়া না গেলেও সতর্ক থাকার উপর জোর দিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট- আইইডিসিআর।
রবিবার (১ মার্চ) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই পরামর্শ দেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে কারও মধ্যে এই রোগের জীবাণু পাওয়া যায়নি জানিয়ে মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ৫৪ দেশে কভিড-19 রোগী ধরা পড়েছে। আমাদের এখানে কোনও করোনাভাইরাস সংক্রমণ হয়নি। আমরা আশঙ্কা করছি কেউ যদি আক্রান্ত হয়, তাহলে কোনও দেশ থেকেই সেটা আসবে। তাই সেসব দেশ থেকে ফিরলেও তারা যেন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকেন। খুব প্রয়োজন না হলে বাড়ির বাইরে বের না হন।
তিনি বলেন, আমরা সবাইকে পরামর্শ দিচ্ছি যারা বাইরে থেকে আসবেন, তারা বিমানবন্দর থেকে বাসায় যাওয়ার পথে গাড়িতে মাস্ক ব্যবহার করবেন। সম্ভব হলে গণপরিবহনে না গিয়ে নিজস্ব যানবাহনে যাবেন। আমরা অনুরোধ করছি, আপনারা আবশ্যিকভাবে বাড়িতে অবস্থান করুণ। জনসমাগম এড়িয়ে চলুন। যদি বাইরে যাওয়া খুবই দরকার হয়, তাহলে মাস্ক ব্যবহার করবেন।
তিনি জানান, কেউ আক্রান্ত হয়ে এলে বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমেই তাকে শনাক্ত করে চিকিৎসা দেয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মধ্য চীনের উহান শহরে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়। এই ভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো।নভেল করোনাভাইরাসের কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন এখনো তৈরি হয়নি। ফলে এমন কোনো চিকিৎসা এখনও মানুষের জানা নেই, যা এই রোগ ঠেকাতে পারে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৯০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। গত বছরের শেষের দিকে সংক্রমিত হওয়া করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগকে ‘কোভিড-১৯’ নাম দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।দেশটির মূল ভূখণ্ডে ৭৯ হাজার ৮২৪ জন আক্রান্তের মধ্যে ২ হাজার ৮৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই হুবেই প্রদেশের বাসিন্দা, যেখানে প্রাণঘাতি এ ভাইরাসটির উৎপত্তি হয়েছিল।
-জেডসি
