করোনায় আক্রান্ত ২জন সুস্থ হয়েছেন : আইইডিসিআর
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৮:০৪ পিএম, ১২ মার্চ ২০২০ বৃহস্পতিবার
করোনায় আক্রান্ত ২ জন সুস্থ হয়েছেন : আইইডিসিআর
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ জন ব্যক্তির মধ্যে ২ জন সুস্থ হয়েছেন। আজ বৃহষ্পতিবার করোনা প্রসঙ্গ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা এই তথ্য জানান।
বাংলাদেশের ৩ জন করোনা ভাইরাস রোগী পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ২ জন সুস্থ হয়েছেন। তাদের পর পর দু’টি পরীক্ষায় ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায় নি। এদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা কোয়ারেন্টাইনে ভাল আছেন।’
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে এমন দেশ থেকে যে সব যাত্রী আসবেন তাদেরকে ১৪ দিন স্বেচ্ছা/ গৃহ কোয়ারেন্টাইনে থাকার অনুরোধ জানিয়ে মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘যে সব দেশে কোভিড-১৯এর স্থানীয় সংক্রমণ ঘটেছে সে সব দেশ থেকে যে সব যাত্রী আসবেন (দেশী-বিদেশী যে কোনো নাগরিক) তাদেরকে ১৪ দিন স্বেচ্ছা/ গৃহ কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। তাদের কারো মধ্যে যদি কোভিড-১৯ এর লক্ষণ দেখা যায় তবে অন্য কোথাও না যেয়ে প্রথমেই আইইডিসিআর-এর হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হল।’
তিনি বলেন, পৃথিবীর দুই-তৃতীয়াংশ দেশে স্থানীয় সংক্রমণ ঘটছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোভিড-১৯ কে বিশ্ব মহামারী ঘোষণা করেছে। তাই যে দেশে আছেন যেখানে আছেন সেখানেই অবস্থান করাই উত্তম। কারণ আরোহন, ট্রানজিট ও অবতরণের বিমান বন্দরসমূহের টার্মিনাল এবং বিমানের ভেতরে যে কোন যাত্রী/ ক্রু কোভিড-১৯ সংক্রমিত যাত্রী/ ক্রু দ্বারা সংক্রমিত হতে পারেন।
তিনি বলেন, সংক্রমিত যাত্রী/ ক্রু যে দেশে অবতরণ করবেন সে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে, প্রথমেই সংক্রমণ ছড়াতে পারে আপনার পরিবারের সদস্যদের মাঝে। নিজেকে ও প্রিয়জনদের অতি সহজেই আপনি এ সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখতে পারেন। তাই অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন আন্তর্জাতিক ভ্রমণকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।
সারা দেশব্যাপী হাসাপাতালগুলোতে আইসোলেশন শয্যা প্রস্তুতির বিষয়ে আইইডিসিআর এর পরিচালক বলেন, ঢাকা মহানগরীর ৬টি হাসপাতালে ৪০০ শয্যা, চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ১৫০ শয্যা, সিলেট মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ২০০ শয্যা, বরিশাল মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ৪০০ শয্যা, এবং রংপুর মহানগরীতে ২টি হাসপাতালে ২০০ শয্যা কোভিড-১৯ সংক্রমিত ব্যক্তিদের আইসোলেশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
