করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ড: বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হচ্ছে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০১:৪৫ পিএম, ৮ জুন ২০২০ সোমবার
করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ড: বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হচ্ছে
নিউজিল্যান্ড করোনামুক্ত হওয়ায় সীমান্তের কড়াকড়ি ছাড়া বাকি সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা অ’ডুর্ন।
এক প্রতিবেদনে রয়টার্স বলেছে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ নিউ জিল্যান্ডই বিশ্বে প্রথম এ ঘোষণা দিল।
প্রধানমন্ত্রী অ’ডুর্ন আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নতুন করোনাভাইরাসের মহামারীর কারণে তার দেশে সতর্কতার মাত্রা দ্বিতীয় ধাপ থেকে প্রথম ধাপে নামিয়ে আনা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী অ’ডুর্ন বলেন, যদিও আমরা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ আর ভালো অবস্থায় আছি, তারপরও কোভিড সঙ্কটের আগের সেই জীবনযাত্রায় ফেরার সহজ কোনো পথ আমাদের সামনে নেই। তবে জনস্বাস্থ্যের দিকে এতদিন যে মনোযোগ আর আন্তরিকতা দিয়ে আমরা কাজ করেছি, এখন অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্যও আমাদের একইভাবে কাজ করতে হবে।
নিউজিল্যান্ডে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত আর কোন রোগী নেই। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশটির সর্বশেষ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠায় তাকে আইসোলেশন থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ফলে দেশটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নেমে এলো। আজ সোমবার দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।
স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক আশলে ব্লুমফ্লিল্ড বলেন, এটি ছিল ‘প্রকৃতপক্ষে ভাল খবর’ এবং আন্তরিকভাবে খুশি হওয়ার মতো একটি খবর। আর এটি পুরো নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি বিশাল অর্জন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গত ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে এই প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোটায় নেমে এলো। কোভিড-১৯ ভাইরাস মোকাবেলায় এটি আমাদের জন্য অবশ্যই একটি বড় অর্জন। তবে এর আগে আমরা বলেছি, কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে চলমান সতর্কতা অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে।’
নিউজিল্যান্ড তাদের দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সফলতা অর্জনের জন্য প্রশংসিত হচ্ছে। দেশটিতে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর
এখানে সাত সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয় যা গত মাসে শেষ হয়েছে।
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ডে করোনাভাইরাসে মোট ১ হাজার ১৫৪ জন আক্রান্ত হয় এবং এদের মধ্যে ২২ জন প্রাণ হারায়।
গত ১৭ দিন ধরে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি। সোমবার পর্যন্ত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কোভিড-
১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র একজন।
