ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৫:৫২:১১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

এবার ঈদে বাহারি শাড়ি

প্রকাশিত : ১১:৪৪ এএম, ১৫ জুলাই ২০১৪ মঙ্গলবার | আপডেট: ০১:১৬ পিএম, ১৫ জুলাই ২০১৪ মঙ্গলবার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা: ঈদে পোশাকের মধ্যে নারীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় শাড়ি। ঈদকে উপলক্ষ করে শাড়ি বিক্রি বেড়েও যায় কয়েকগুণ। শাড়িপ্রেমীদের কাছে দেশী মসলিন, বেনারসি, টাঙ্গাইল, তাঁত ও ঢাকাই জামদানী ও কাতান, তসর শাড়ির কদর সেই শুরু থেকে। এই সব শাড়িতেই ঈদ উপলক্ষ্যে যোগ করা হয়েছ নানা বৈচিত্র্য ও ধরণ। এসব শাড়ির জনপ্রিয়তা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে পৃথিবীর নানা দেশে। শাড়ির জমিন, ডিজাইনের ভিন্নতা, রঙ, বুনন ও ডিজাইন এবং সহনীয় দামের কারণে তাঁতের শাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়ছে ক্রমশ। শাড়িতে বৈচিত্র্য আনতে আঁচল, পাড় ও কুঁচিতে আনা হচ্ছে বাহারি ডিজাইন ও নকশা। এবার ছোট আঁচল ও কুঁচিতে বিভিন্ন নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিচিত্র দেশীয় শাড়িকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে দেশের বুটিক হাউজগুলো। বুটিক হাউজগুলো তাঁতের শাড়িতে এনেছে ভিন্নতা, নতুনত্ব এবং নানা রকম ডিজাইনের চমক। দেশীয় বুটিক শপ রঙ, প্রবর্তণা, অরণ্য, অঞ্জনস, বাংলার মেলা, মেলা, নগরদোলা, সাদাকালোসহ সকল বুটিক হাউজগুলোই তাঁতের শাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত করছে নানা রকম পরীক্ষা-নীরিক্ষা। তারই দেশে বিদেশে এই পণ্যটিকে করেছে ব্যাপক জনপ্রিয়। আড়ংয়ের শাড়িতে ব্লক, নকশিকাঁথা, অ্যাপ্লিকের কাজে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। এবারো ঈদে নতুন নতুন হরেক রকম দেশী শাড়ির পসরা সাজিয়ে বসেছে বিভিন্ন মার্কেট, শপিং মল ও বুটিক হাউজের ব্যবসায়িরা। দোকানীরে সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সারা বছরই এই মার্কেটে ক্রেতার ভিড় থাকে। তবে ঈদ উপলক্ষে এর মাত্রা বেড়ে যায় কয়েকগুন। শাড়ির ব্যবসায়িরা জানিয়েছেন, এবার ঈদে তাঁত, জামদানী, সুঁতি জামদানী, ঢাকাই জামদানী, কোটা বল প্রিন্ট, বিভিন্ন রকম সিল্ক টাঙ্গাইল সিল্ক শাড়িগুলো বেশ চলছে। ৭শ থেকে ৪০ হাজার টাকায় এসব শাড়ি রাজধানীর বিভিন্ন শাড়ি দোকানে পাওয়া যাচ্ছে। টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ডিজাইনের সুঁতি ও তাঁতের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ৪ শ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে। বেইলী রোডের শাড়ি বিক্রেতারা জানান, কাজের পরিমান ও থান কাপড়ের মানের ওপর সাধারণত শাড়ির দাম নির্ভর করে। টাংগাইল শাড়ি কুটিরে সুঁতি শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ৪ শ থেকে ৪ হাজার টাকায়, সিল্ক শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ২ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকায়। বিভিন্ন রকম জামদানী পাওয়া যাচ্ছে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়, বিভিন্ন রকম প্রিন্টের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ৩ শ ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫ শ টাকায়। তছাড়া সিল্ক ও তাঁতের মধ্যে করা ব্লক ও হ্যান্ড প্রিন্টের শাড়িগুলোর দাম সাড়ে ৪শ থেকে ১২ হাজার ৫শ পর্যন্ত। শাড়ির জন্য ঢাকা শহরের মেয়েদের প্রিয় মার্কেট ধানমন্ডি হর্কাস। সব শ্রেণীর সব ক্রেতার জন্য এখানে রয়েছে নানান দামের শাড়ি। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ উপলক্ষে এমার্কেটের ব্যবসায়িরা ইতোমধ্যেই জর্জেট, বেনারশি, কাতান, টিসু কাতান, ফুলপরী, পলিবুটি, টাঙ্গাইল ও রাজশাহী সিল্ক, তসর, রকমারি জামদানি ও তাঁতের শাড়ি তুলেছে দোকানে। এগুলোর মূল্য ৩ শ থেকে ২০ হাজার টাকা। এছাড়া সাধারণ সুঁতির শাড়িও পাওয়া যাচ্ছে ২শ থেকে ৬শ টাকায়। ১৫.০৭.২০১৪