এ বছর বাংলায়ও হবে হজের খুতবা
অনলাইন ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৬:৪৭ পিএম, ২৫ জুলাই ২০২০ শনিবার
এ বছর বাংলায়ও হবে হজের খুতবা
এ বছর বাংলায় ভাষাও হজের খুতবা পাঠ করা হবে। হজ মুসলিমদের অন্যতম প্রধান একটি স্তম্ভ। হিজরি বর্ষের ৯ তারিখে আরাফাতের ময়দানে হজের খুতবা অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আরবি ভাষাতেই এই খুতবা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তবে গত বছর খুতবা প্রচারিত হয়েছিল পাঁচটি ভাষায়। এবার প্রচারিত হবে ১০টি ভাষায়। আর এ ১০ ভাষার মধ্যে রয়েছে বাংলা ভাষাও।
দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের খবরে বলা হয়, এ বছর ১০টি ভাষায় খুতবা প্রচারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গ্র্যান্ড মসজিদ ও মসজিদে নববীর জেনারেল অ্যাফেয়ার্সের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল সুদাইস। তিনি জানিয়েছেন, এবার আরবি ভাষা ছাড়াও হজের খুতবা ইংরেজি, মালয়, উর্দু, ফার্সি, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন, তুর্কি, রুশ, হাবশি ও বাংলা ভাষায় প্রচারিত হবে।
করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর সীমিত আকারে পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবারের হজে অংশ নেওয়া হজযাত্রীরা সাত দিনের হোম কোয়ারেন্টিন শেষ করে মক্কায় আসা শুরু করেছেন। আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র হজ।
শুক্রবার বিকেলে দেশটির আল কাসিম প্রদেশ থেকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে হজযাত্রীদের একটি দল জেদ্দা কিং আবদুল আজিজ বিমানবন্দর এসে পৌঁছান। বিমানবন্দরে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের স্বাগত জানান। এ সময় হজযাত্রীদের কবুল হজ নসিবসহ তাদের সুস্থতার জন্য দোয়া করা হয়। হজপালনের জন্য মক্কায় প্রবেশের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা নির্দিষ্ট হোটেলে (জমজম টাওয়ার) আরও চারদিনের কোয়ারেন্টিন পালন করবেন।
এরপর ৮ জিলহজ বাদ ফজর রওয়ানা হবেন মিনায়। মিনাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। ১২ জিলহজ পর্যন্ত মিনা, মুজদালিফা, আরাফাতের ময়দান ও মক্কায় হজের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়।
সৌদি আরবে বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের অধিবাসী ও দেশটির নাগরিকদের সমন্বয়ে এবার ১০ হাজার মানুষ হজপালন করবেন। সীমিত মানুষের অংশগ্রহণের হজ অনুষ্ঠিত হলেও সার্বিক প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই সৌদি কর্তৃপক্ষের। মাশায়েরে মোকাদ্দাসায় (হজের বিধি-বিধান পালনের বিশেষ স্থানসমূহ) প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সেসব স্থান হজযাত্রীদের জন্য পুরোপুরি প্রস্তত রাখা হয়েছে। জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে হাজিদের চলাচলের এলাকাসমূহ।
