ঢাকা, শুক্রবার ০৩, জুলাই ২০২৬ ৯:৪০:৩৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলাকে ‘রানিংমেট’ করলেন বাইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫১ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২০ বুধবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষ্ণাঙ্গ সেনেটর ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের নাম ঘোষণা করলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। এর ফলে পরবর্তী প্রচারে বাইডেনের সঙ্গে দেখা যাবে কমলা হ্যারিসকেও। মার্কিন জনসাধারণের মধ্যে জনপ্রিয় হ্যারিসের নাম ঘোষণা করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরও বিপদে ফেললেন বিডেন।

মঙ্গলবার টুইট করে একথা জানান বাইডেন। তিনি লেখেন, “আমার খুবই ভাল লাগছে আমার সহযোদ্ধা হিসেবে একজন ভয়ডরহীন লড়াকু মেজাজের মহিলা ও এই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিনিধি কমলা হ্যারিসের নাম ঘোষণা করতে পেরে। আমার প্রচারে তাঁকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে আমি গর্বিত।”

বিডেনের এই ঘোষণার পরে তাঁর স্টাইলেই টুইটারে নিজের প্রতিক্রিয়া দেন হ্যারিস। তিনি লেখেন, “আমি জো বিডেনের এই প্রশংসায় মুগ্ধ। তাঁর সহযোদ্ধা হিসেবে সব লড়াইয়ে আমি তৈরি। জো বিডেন আমেরিকার মানুষকে একত্রিত করতে পারবেন, কারণ সারা জীবন তিনি এই কাজই করে গিয়েছেন। এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য এক আমেরিকা তৈরি করবেন তিনি।”

কমলা হ্যারিসের রাজনৈতিক জীবনে একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে থাকল তাঁর নাম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হওয়ায়। কারণ, তিনি যদি এবারের নির্বাচনে জেতেন, তাহলে ২০২৪ ও ২০২৮ সালে তিনি এমনই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হয়ে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হবেন।

৫৫ বছরের কমলা হ্যারিসের বাবা জামাইকার বাসিন্দা। তাঁর মা ভারতীয়। ছোটবেলায় আমেরিকাতে চলে আসেন তাঁরা। তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা যিনি ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ ও প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মহিলা যিনি আমেরিকার সেনেটর হিসেবে নির্বাচিত হন। বুধবার ডেলাওয়্যার থেকে নিজেদের যৌথ প্রচার শুরু করবেন জো বিডেন ও কমলা হ্যারিস।

এর আগে অবশ্য বাইডেনের সঙ্গে সংঘাত হয়েছে হ্যারিসের। এই সংঘাতের ফলেই ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রেসিডেন্টের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান হ্যারিস ও বাইডেনকে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে দেন। যদিও সেই সংঘাত ক্ষণস্থায়ী ছিল।

জো বাইডেন নিজের মুখে কমলা হ্যারিসের রাজনৈতিক প্রতিভার কথা স্বীকার করে বলেছেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও রকমের অভিযোগ বা রাগ তাঁর নেই। হ্যারিসকে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টের পদের লড়াইয়ে সামিল করে সেই বার্তা দিলেন বাইডেন। এর ফলে আমেরিকার ক্ষমতার লড়াইয়ে আরও কিছুটা চাপে পড়লেন বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনটাই বক্তব্য মার্কিন রাজনৈতিক মহলের। সূত্র: দ্য ওয়াল

-জেডসি