ঈদ বাজার : অবিরাম সেলাই চলছে দর্জির দোকানে
প্রকাশিত : ১১:৩৭ এএম, ১২ জুলাই ২০১৪ শনিবার | আপডেট: ০৪:৩৬ পিএম, ১২ জুলাই ২০১৪ শনিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা :
বিরামহীনভাবে সেলাই করে চলেছেন দর্জিরা। ঈদকে সামনে রেখে ঘুম নেই রাজধানীর দর্জির দোকানগুলোর। নিঃশ্বাস ফেলারও সময় নেই তাদের। দিন রাত অবিরাম কাজ চলছে। তারপরও হিমশিম করতে হচ্ছে তাদের।
চাঁদনীচক, নিউমার্কেট, মৌচাক মার্কেট, ইস্টার্ণ মল্লিকা, গাউছিয়া,নূর ম্যানশন, আনারকলি, মালিবাগ সুপার মার্কেট, রমনা ভবনসহ ঢাকা শহরের বেশ কিছু মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। দোকানগুলোতে তিল ধারনের জায়গা নেই। অধিকাংশ দোকানেই তৈরি জামা-কাপড়ের অর্ডার সরবরাহ করা হচ্ছে। এখন আর নতুন অর্ডার তেমন নেওয়া হচ্ছেনা। ফলে অনেকেই হতাশ হয়ে ফিরছেন। ছুটছেন অন্য দোকানের খোঁজে। কেউ কেউ দোকানীকে অনুরোধ করছেন। কিন্তু মন আর গলছে না টেইলারদের। মাহমুদা জামান ধানমন্ডি থেকে চাঁদনীচক এসেছিলেন মেয়ের জন্য জামা তৈরি করাতে। তিনি বললেন, আমার মেয়ের জন্য একটা সালোয়ার-কামিজ বানাতে চাইলাম। কিন্তু দর্জি নিচ্ছে না। বলছে দেরি হয়ে গেছে।
মৌচাক মার্কেটের সানন্দা, মন মাধুরী, মৌসুমি, কেয়া নন্দিনি, আনারকলি মার্কেটের নিউ মৌমিতা, নাজ টেইলার্স, খান লেডিস টেইলার্স চাঁদনীচকের মৌসুমি, সুশ্রিতা, কুমিল্লা টেইলার্স, বনশ্রী, ঢাকা টেইলার্স, নূর ম্যানশনের অঞ্জনা টেইলার্স, অজন্তা টেইলার্স, মহানগরী টেইলার্স, রাত্রি টেইলার্স সব দোকানে একই দৃশ্য। সেলাই মেশিনের একটানা ঘটঘট শব্দে মুখরিত প্রতিটি দোকান। মাথা গুজে একটানা কাজ করে যাচ্ছেন টেইলাররা। নূর ম্যানশনের অঞ্জনা টেইলার্সের টেইলার মাষ্টার আলী জানান, ঈদ মৌসুমে অন্যান্য সময়ের চেয়ে কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই ঈদ উপলক্ষে বাড়তি লোক লাগিয়েও কাজ করে শেষ করা যাচ্ছে না। তিনি জানান, ঈদের দিন ভোর পর্যন্ত কাজ চলবে। অধিকাংশ দোকানের কর্মচারিরাই ঈদের দিন বিকেলে বাড়ি যাবেন।
মহানগরীর বেশ কিছু দর্জির দোকানে কথা বলে জানা গেছে, মার্কেট ভেদে বিভিন্ন দোকানে সালোয়ার-কামিজ সেলাই করতে দুইশ’ ৫০ টাকা থেকে পাঁচশ টাকা নেয়া হচ্ছে। শুধু কামিজ নেয়া হচ্ছে দুইশ’ থেকে সাড়ে তিনশ’ টাকা। সালোয়ার দেড়শ’ থেকে দুইশ’ টাকা। এছাড়া জরুরীভিত্তিতে বিশেষ অর্ডারের ক্ষেত্রে প্রতিটি অর্ডারেই একশ’ থেকে দেড়শ’ টাকা করে বেশি নেয়া হয়।
১২.০৭.২০১৪ 