ঢাকা, সোমবার ০৬, জুলাই ২০২৬ ১৪:০৬:১৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ইউএনওর ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৫:৩৫ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার মদদদাতাদেরও খুঁজে বের করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইতিমধ্যে অপরাধী শনাক্ত করা বা তাদেরকে ধরা হয়েছে এবং এর পেছনে তাদের সঙ্গে আরও কারা কারা আছে, কাদের মদদে করেছে, সেটাও কিন্তু তদন্ত করা হচ্ছে। এটা খুব ভালোভাবেই তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে কোনো ঘাটতি নেই এবং ঘাটতি হবে না। অপরাধী ঠিকই শাস্তি পাবে। সেই ব্যবস্থা করব, অন্তত এইটুকু আমি বলতে পারি।

বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি। দুর্বৃত্তের হামলায় আহত ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।

ইতিমধ্যে ইউএনওর যেই ঘটনা ঘটে গেছে সেটা কিন্তু তদন্ত করে দোষীদের কিন্তু গ্রেফতার করাও হয়েছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং বিষয়টা কি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিছু কিছু বলছে যে চুরি করার জন্য…শুধু চুরি না, এরসঙ্গে আরও কি কি ঘটনা থাকতে পারে সেগুলোও কিন্তু যথাযথভাবে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি আগেই বলেছি অপরাধী আমার চোখে অপরাধী। সে কোন দলের কে, কি আমি কিন্তু সেটা বিচার করি না। সেটা আপনারা দেখেছেন।

সরকারপ্রধান বলেন, প্রথম কথা আমি অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখি। সেখানে যদি আমার দলেরও লোক হয়, সমর্থক হয় তাকেও আমি ছাড়ি না, ছাড়ব না- এটা হল আমার নীতি। সেই নীতি নিয়ে আমি চলছি। ইতিমধ্যে যারা ধরা পড়েছে… তদন্ত করা হচ্ছে। পাশপাশি আরও তদন্ত করা হচ্ছে যে এই ঘটনার মূলে কি আছে? কেন এই ধরনের একটা ঘটনা ঘটল?’

সংসদ নেতা বলেন, সরকারি কর্মকর্তার ওপর হামলা অবশ্যই গর্হিত কাজ। যে দেশে অন্যায়ই ছিলো নিয়ম, সেই দেশকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সহজ কাজ নয়। আস্তে আস্তে সেই পরিস্থিতি দূর করার চেষ্টা করছে সরকার।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ গোয়েন্দা সংস্থা সক্রিয় রয়েছে। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব কাজ করে যাচ্ছি।

সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সকালে ঘুম ভাঙার পর আগে জায়নামাজ খুঁজি। নামাজ পড়ি। তারপর নিজের চা নিজে বানিয়ে খাই। আমার ছোট বোন রেহানা আছে। যে আগে ওঠে সে চা বানায়। এখন আমার মেয়ে পুতুলও রয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন তো করোনাকালে নামাজ পড়ে, চা খেয়ে বই-টই পড়ার থাকলে পড়ি। আর একটু হাঁটাহাঁটি করি। গণভবনে একটা লেক আছে। সেই লেকের পাশে বসে মাছ ধরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বাবার শিক্ষা রিকশাওয়ালাকে আপনি করে বলতে হবে। ড্রাইভারকে সাহেব বলতে হবে। বাড়ির কাজের লোকজনকে হুকুম দেয়া যাবে না। আমরা সেই শিক্ষাই অর্জন করেছি। আমার বাসায় যারা কাজ করে তাদের কখনো হুকুম দেই না। বলি, আমাকে এটা করে দিতে পারবে? সেই শিক্ষাই জাতির পিতা আমাদের দিয়েছেন।

-জেডসি