ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪, নভেম্বর ২০২০ ১০:১৬:১৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

ভারতে প্রতিদিন ধর্ষণের শিকার ৮৭ নারী

অনলাইন ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫১ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ বুধবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতে প্রতি নিয়তই বাড়ছে ধর্ষণের ঘটনা। বর্তমানে এটি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌছেছে। ২০১৯ সালে প্রতিদিন গড়ে ৮৭টি করে ধর্ষণের মামলা রেকর্ড হয়েছে। সবমিলিয়ে পুরো দেশে নারীদের ওপর নথিভুক্ত অপরাধের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৫ হাজার ৮৬১টি। ২০১৮ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দেশটির কেন্দ্রের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এমন তথ্য সামনে এসেছে।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মেয়েদের বিরুদ্ধে অপরাধের ৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৬টি মামলা হয়েছিল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সালে পুরো দেশে ৩২ হাজার ৩৩টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। নারীদের বিরুদ্ধে যত অপরাধের ঘটনা ঘটেছে তার ৭.৩ শতাংশই ধর্ষণ মামলা।

২০১৮ সালে ভারতে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা ছিল ৩৩ হাজার ৩৫৬। ২০১৭ সালে নথিভুক্ত ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল ৩২ হাজার ৫৫৯টি।

জাতীয় অপরাধ রেকর্ডস ব্যুরোর এই পরিসংখ্যানে পরিষ্কার যে, মেয়েদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও ভারতে ধর্ষণের মামলা তার আগের দু’টি বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে।

২০১৯ সালে উল্লেখিত মামলার অধিকাংশই নথিভুক্ত হয়েছে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) আওতায়। এর মধ্যে শ্বশুরবাড়িতে বধূ-নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৩০.৯ শতাংশ।

অন্যান্য ক্ষেত্রে নারীদের উপর নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২১.৮ শতাংশ। নারী অপহরণের ঘটনা ১৭.৯ শতাংশ। ২০১৯ সালে প্রতি ১ লাখ নারীর ওপর অপরাধের হার ৬২.৪ শতাংশ। ২০১৮ সালে ছিল ৫৮.৮ শতাংশ।

শুধু নারীদের উপরই নয়, এনসিআরবির ‌‌‘ক্রাইমস ইন ইন্ডিয়া-২০১৯’ রিপোর্ট অনুযায়ী, শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনাও ভারতে বেড়েছে। ২০১৯ সালে শিশুদের বিরুদ্ধে ১.৪৮ লাখ অপরাধের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৪৬.৬ শতাংশ ঘটনাই হলো অপহরণের অভিযোগ। ৩৫.৩ শতাংশ ক্ষেত্রে যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। ২০১৮ সালের সঙ্গে তুলনা করলে, ২০১৯-এ শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ৪.৫ শতাংশ বেড়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায় কাজ করে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো। পুরো দেশ থেকে বিভিন্ন অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

-জেডসি