ঢাকা, সোমবার ০৬, জুলাই ২০২৬ ৯:১৬:১৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

হাসপাতাল ছাড়লেন ইউএনও ওয়াহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৫৭ পিএম, ১ অক্টোবর ২০২০ বৃহস্পতিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম। তিনি আগামী ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন চিকিৎসকরা। তবে থেরাপির জন্য তাকে মিরপুরের সিআরপি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কেননা তার হাঁটা-চলা করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

ওয়াহিদার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের প্রধান এবং জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন জানান, ওয়াহিদা খানম এখন সুস্থ। স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারছেন। তিনি এখন হাঁটছেন, খাচ্ছেন, কথা বলছেন। সামান্য দুর্বলতা আছে, একটু খোঁড়াচ্ছেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যে তাও ঠিক হয়ে যাবে।

ছাড়পত্র পাওয়ার পর পায়ে হেঁটে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ছেড়ে যান ওয়াহিদা খানম। এ সময় তাকে অনেকটা সুস্থই দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনওর সরকারি বাসভবনে ঢুকে হামলা করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে গেটে দারোয়ানকে বেঁধে ফেলে তারা। পরে বাসার পেছনে গিয়ে মই দিয়ে উঠে ভেন্টিলেটর ভেঙে বাসায় প্রবেশ করে হামলাকারীরা।

ভেতরে ঢুকে ভারী ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ইউএনও ওয়াহিদাকে গুরুতর আহত করে তারা। এ সময় মেয়েকে বাঁচাতে এলে বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে (৭০) জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তারা অচেতন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ভোরে স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

ওয়াহিদাকে প্রথমে রংপুরে ও পরে রংপুর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় আনা হয়। এতো দিন তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৭ এ ইউএনও ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে বিরল উপজেলার ধামাহার গ্রামের মৃত খতিব উদ্দিন আহাম্মেদের ছেলে রবিউল ইসলাম। গত ১২ তারিখ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত আদালতের আদেশে ডিবি পুলিশের হেফাজতে ৯ দিনের রিমান্ডে রাখা হয় তাকে। এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

-জেডসি