বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে প্রস্তুত চীন
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০৭:২৮ পিএম, ৪ অক্টোবর ২০২০ রবিবার
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে প্রস্তুত চীন
চীন-বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে আজ রোববার এক ভিডিও বার্তায় একথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং।
এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে এবং যৌথভাবে বেল্ট অ্যান্ড রোডের নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে চীন।
শি চিন পিং বলেন, চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দৃঢ় হয়েছে। ৪৫ বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দু’দেশ সব সময় একে অপরকে সম্মান জানিয়ে এসেছে। পারস্পরিক রাজনৈতিক বিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলেছে। এছাড়া পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে যা দুই দেশের জন্যই সুস্পষ্ট সুবিধা বয়ে এনেছে।
চীনা প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, মহামারি কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবের পরে চীন এবং বাংলাদেশ উভয়ই নানা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তবুও তারা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একে অপরকে সহায়তা করেছে এবং দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক দ্রুত বিকাশ লাভ করছে। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এগুলোর প্রতি বাংলাদেশ বেশ গুরুত্ব প্রদান করে।
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অগ্রগতিতে চীনের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন তিনি। ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
এছাড়া আজ চীনা প্রধানমন্ত্রী লি খ্যা খিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথেও অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেছেন।
লি তার বার্তায় বলেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায়। এছাড়া চীন দু’দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের স্থিতিশীল সম্পর্ক, টেকসই উন্নয়ন এবং জনগণের উন্নতির জন্য উৎসাহী।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং দু'দেশের পরীক্ষিত বন্ধুত্ব রয়েছে। এগুলো পারস্পরিক সহযোগিতা থেকেই গড়ে উঠেছে।
