ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ ৪:৩৮:১৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

প্রেসক্লাবে ইফতার পার্টিতে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১:৫৮ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৪ শনিবার | আপডেট: ১২:০১ পিএম, ১৯ জুলাই ২০১৪ শনিবার

7_86017স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইফতার পার্টিতে অংশ নেন। এ সময় সংবাদ পত্রকে সমাজের দর্পণ হিসাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ছাড়া কোন সমাজই চলতে পারে না। গণতন্ত্র সুসংহত করা, সরকারি কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরা এবং সুশাসন  প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্তবেশী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের সংবিধানে ৩৯ অনুচ্ছেদে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়ে গেছেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন,  বাংলাদেশের গণমাধ্যম আজ পূর্ণস্বাধীনতা ভোগ করছে। বিএফইউজের সভাপতি মন্জুরুল আহ্সান বুলবুলের সভাপতিত্বে ইফতারপূর্ব আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আলতাফ মাহমুদ। বক্তব্য রাখেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএফইউজে’র মহাসচিব আবদুল জলিল ভূইয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ,  তথ্য সচিব মোরতুজা আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব একে এম শামীম চৌধুরী,  সিনিয়র সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলন, রাহাতখান, বাসসর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল। বিগত ৯৬ সালের সরকারের সময় আওয়ামীলীগই প্রথম বেসরকারী টিভি চ্যানেলের অনুমতি দেয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,  তার সরকার গত মেয়াদে আরো ৩২টি বেসরকারী টিভি চ্যানেল,  ২২ টি এফএম ব্যান্ডরেডিও ও ৩২ টি কমিউনিটি রেডিও'র অনুমতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি,  জনগণের ক্ষমতায়নের মূল শক্তি তথ্য। তাই আমরা গ্রাম পর্যন্ত তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করেছি। সাংবাদিকদের অহেতুক হয়রানি বন্ধে ক্রিমিনাল প্রসিকিউরকোড সংশোধন করে মানহানিমামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাজারির পরিবর্তে সমনজারির বিধান চালু করা হয়েছে। অষ্টম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণা করেছি। সাংবাদিকদের আবাসিক সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৯৬ সালে তার সরকার ন্যাম সম্মেলনের জন্য ৩হাজার ফ্লাট তৈরি করেছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার লোকজনদের দেয়া। ২০০১ সালে সরকারে না আসতে পারায় সেই সুযোগ বাস্তবায়ন করা যায়নি। সমবায় সমিতির মাধ্যমে সাংবাদিকদের মধ্যে জমি প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করবেন আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু ঢাকা নয়, ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা যাতে জমিপান সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে চান। যাতে আমরা নিজেদের পায়ে নিজেরা দাঁড়াতে পারি। আর সেই লক্ষ্যেই পদ্মা সেতু নির্মাণ হচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, সমুদ্রে অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে সমুদ্রসীমা আইন করে যান। সেই সময় জাতিসংঘও এই আইন করেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার দূরদর্শিতার কারণেই মিয়ানমার, ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা মামলায় আমরা বিজয়ী হয়েছি। শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার সময়েও মহাজোট সরকার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করেছে। মাথাপিছু আয় ২০০৯ সালের ৮৪৩ ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১ হাজার ১৯০ মার্কিন ডলার হয়েছে। ১৯.০৭.২০১৪