ঢাকা, বুধবার ০১, জুলাই ২০২৬ ৪:৩৬:৩৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

মার্কিন নির্বাচন: মোট ভোটার ও নির্বাচন প্রক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৪৩ পিএম, ৩ নভেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

শুরু হতে যাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের লড়াই । যুক্তরাষ্ট্রে এবার মোট ভোটার প্রায় ২৪ কোটি। তারমধ্যে ১৮ থেকে ১৯ কোটি ভোটার ভোট দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগের দিন রাত পর্যন্ত ডাকযোগে সাড়ে ৯ কোটির বেশি আগাম ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। খবর রয়টার্সের।

কোন কোন অঙ্গরাজ্যে ভোটের দিনও ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আরও কিছু ভোট ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনে যাবে। ডেমোক্র্যাটিক সমর্থকদের মধ্যে আগাম ভোট দেওয়ার প্রবণতা বেশি। তারা ভিড় ঠেলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট কম দেয়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে তাদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়া হয়তো আরও কমে যাবে।

অন্যদিকে, রিপাবলিকান সমর্থকরা ভোটকেন্দ্রে গিয়েই ভোট দিতে বেশি পছন্দ করেন। শেষমুহূর্তে ভোটার তালিকাভুক্তির ব্যাপারেও তারা এগিয়ে। ‘শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের’ ফয়দাও পুরোপুরি ট্রাম্পের পকেটেই যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে এখনও ৬৭ শতাংশ ভোটার শ্বেতাঙ্গ। নির্বচনী জরিপে এরা কম অংশ গ্রহণ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে এদের বেশিরভাগই রক্ষণশীল রিপাবলিকান প্রার্থীদের পছন্দ করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শুধু ভোটারদের সরাসরি ভোটে (পপুলার ভোট) জিতলেই জয় নিশ্চিত হয় না। বরং নির্বাচিত হতে হলে অবশ্যই ইলেকটরাল কলেজে জিততে হবে। গত নির্বাচনে ট্রাম্পের চেয়ে ৩০ লাখ ভোট বেশি পেয়েও ইলেকটরাল কলেজে হেরে গিয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন।

যুক্তরাষ্ট্রে ৫০টি অঙ্গরাজ্য ও রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিসহ (ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়া) মোট ইলেকটোরাল কলেজ ৫১টি।

ভোটাররা এই ৫১টি ইলেকটোরাল কলেজের ৫৩৮ জন ইলেকটর নির্বাচিত করেন। কোন অঙ্গরাজ্যে কতজন ইলেকটর থাকবেন তা সেখানকার মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় এবং যে রাজ্যে জনগণের ভোটে যে প্রার্থী জেতেন সাধারণ ওই প্রার্থী ওই অঙ্গরাজ্যের ইলেকটরদের পান। এ কারণেই পেনসিলভানিয়া, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যালোলিনা ও অ্যারিজোনার মত অঙ্গরাজ্যগুলো জয়-পরাজয় নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে এই ৫৩৮ ইলেকটোরাল ভোটের মধ্যে অন্তত ২৭০টি নিশ্চিত করতে হয়।

আইনি বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেসব অঙ্গরাজ্যে ভোটের লড়াই হাড্ডহাড্ডি হবে সেখানে ট্রাম্প হয়ত আগাম ভোটের ফলের উপর ভিত্তি করেই দলীয় ইলেকটরদের অনুমোদন দিতে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের রাজি করানোর চেষ্টা নিতে পারেন । তারপর যখন আরও ব্যালট গণনা করা হবে, তখন ঘটনাচক্রে একই রাজ্যে বাইডেনের জয়ও নিশ্চিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুইপক্ষের ইলেকটরদের বিপরীত অবস্থান এবং এর ফলে জয়-পরাজায় নির্ধারণ করে দিতে পারে কংগ্রেস।

-জেডসি