কন্যা সম্মেলনে যোগ দিতে কাল লন্ডন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত : ১০:৪১ এএম, ২০ জুলাই ২০১৪ রবিবার | আপডেট: ০৪:৩০ পিএম, ২০ জুলাই ২০১৪ রবিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম ঢাকা: আগামী সোমবার লন্ডনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডনে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হওয়া কন্যা সম্মেলনে যোগ দিবেন তিনি। সম্মেলনে যোগ দেয়া ছাড়াও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। আগামী ২২ জুলাই কন্যা সম্মেলন শুরু হবে।
৫ জানুয়ারির নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বাংলাদেশকে দেয়া ব্রিটিশ সহায়তা এবং দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা আছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগে অনুষ্ঠেয় গার্ল সামিট-২০১৪-এ অংশ নিতে আগামী ২১ জুলাই লন্ডন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ২২ জুলাই ওই সামিটে অংশ নেয়ার পাশাপাশি ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চারটি ইস্যু তোলা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
সোমবার লন্ডনের স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে অবতরণ করবে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট। সেখান থেকে পার্ক লেনের লন্ডন হিলটন হোটেলে যাবেন প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সঙ্গে বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।
এরপর ১১টা ৫৫ থেকে ১২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত গার্ল সামিটের হাইলেভেল সেশনে অংশ নেবেন তিনি। সেখানে ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেকের সঞ্চালনায় প্রশ্নোত্তর ফরম্যাটে মতবিনিময় সভায় থাকবেন। এরপর ডেভিড ক্যামেরুন ও অ্যান্থনি লেকের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় এবং ডেভিড ক্যামেরুনের প্রশ্নোত্তর পর্বের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
গার্ল সামিট শেষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরের দিন বুধবার সকাল ১১টায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করে সোয়া ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে হিথ্রো বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন শেখ হাসিনা।
গত জানুয়ারিতে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর এটাই শেখ হাসিনার প্রথম যুক্তরাজ্য সফর।
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে গতিশীল পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ‘নারীর খৎনা প্রতিরোধ এবং নারীর জোরপূর্বক ও বাল্যবিবাহ নির্মূল’কে মূল প্রতিপাদ্য ধরে বিশ্বে প্রথমবারের মতো গার্ল সামিট আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য। যাতে সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ শিশু সংস্থা ইউনিসেফ। গার্ল সামিট আয়োজনের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, খৎনা এবং জোর করে ও বাল্য বিয়ে নারীর অধিকার খর্ব করে ও তাদের বিকাশে ‘প্রতিবন্ধকতা’ সৃষ্টি করে।
নারীর খৎনা মূলত আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও বাল্য ও জোর করে বিয়ে বিভিন্ন দেশেই রয়েছে। বিশ্বে এখন ২০ থেকে ২৪ বছরের যে নারীরা রয়েছে তাদের এক তৃতীয়াংশেরই বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর বয়সের আগে।
২০.০৭.২০১৪ 