দিল্লি-জয়পুর জাতীয় সড়কে বিক্ষুদ্ধ কৃষকদের মিছিল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ০১:০৫ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০ রবিবার
দিল্লি-জয়পুর জাতীয় সড়কে বিক্ষুদ্ধ কৃষকদের মিছিল। ছবি : আনন্দবাজার পত্রিকা।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আজ রোববার সকালে দিল্লি-জয়পুর জাতীয় সড়কে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের বিশাল মিছিল শুরু হয়েছে। আজ এই কৃষক বিক্ষোভের ১৮ দিন।
আগামী কাল, সোমবার কৃষকদের অনশন কর্মসূচি রয়েছে। কৃষকদের ৩২টি সংগঠনের সদস্যরা সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনশনে বসবেন।
বিকেইউ (চাডাউনি) নামে একটি সংগঠনের প্রেসিডেন্ট গুরমিত সিংহ চাডাউনি বলেছেন, ‘১৯ ডিসেম্বর থেকে আমি আমরণ অনশনে বসব। এ দিনই নবম গুরু তেগ বাহাদুরের শহিদ হওয়ার দিন। এই দিন থেকে আমি আমরণ অনশন শুরু করতে চাই।’
আজ দিল্লি-সিঙ্ঘু সীমানায় এক কৃষক বলেন, শনিবার রাতে আমরা উপস্থিত হয়েছি। রাজস্থান, হরিয়ানা, পঞ্জাব থেকে আরও অনেক কৃষক আসছেন। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের নিয়ে কম করে ৫০০টি ট্রলি আসার কথা।
সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, জাতীয় সড়ক যাতে বেশিক্ষণ অবরুদ্ধ না থাকে, সে জন্য সেখান থেকে কৃষকদের সরাতে ৪ হাজার পুলিশের বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
গুরুগ্রাম পুলিশের এক শীর্ষকর্তা বলেন, আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এই বিক্ষোভ কোনও ভাবেই যাতে বড় আকার নিতে না পারে, সেই চেষ্টা আমরা করব।
শনিবার কৃষকেরা জাতীয় সড়ক অবরোধ করবেন ভেবে বিরাট নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তার বদলে কর্মসূচি অনুযায়ী কৃষক সংগঠনগুলি পঞ্জাব, হরিয়ানা থেকে তেলঙ্গানা, ওড়িশার মতো বিভিন্ন রাজ্যের টোল প্লাজা দখল করে টোল আদায় বন্ধ করে দেন। অম্বানী-আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভের কর্মসূচি মেনে অনেক জায়গায় রিলায়্যান্সের পেট্রল পাম্পের সামনে অবরোধ হয়।
ইতিমধ্যেই কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে একটি সংগঠন। আগামী বুধবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে তার শুনানি।
এদিকে দেশটির কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রনালয়ের দাবি করেছে, হরিয়ানার একগুচ্ছ সংগঠন কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিংহ তোমরের সঙ্গে দেখা করে নয়া আইন তৈরির জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। কিন্তু দিল্লির সীমানায় আন্দোলনকারী নেতাদের দাবি, এ সব বিজেপির সাজানো।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
