হাসিনা-মোদির ভার্চ্যুয়াল বৈঠক শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক
উইমেননিউজ২৪
প্রকাশিত : ১২:২১ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার বহুল প্রত্যাশিত ভার্চুয়াল বৈঠকটি শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনা ঢাকার গণভবন থেকে এবং নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে তার দফতর থেকে এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। বৈঠকের শুরুতেই চিলাহাটি ও হলিদাবাড়ি রুটে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া বৈঠক দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে অনুষ্ঠেয় ভার্চুয়াল এই বৈঠকে বিভিন্ন খাতের নয়টি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে এ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৬৫ সালের আগের পুরনো চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রেল সংযোগটি সুদীর্ঘ ৫৫ বছর পর পুনরায় উদ্বোধন করা হবে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় এটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, এই বৈঠককালে ঢাকা পানি বণ্টন, কোভিড-১৯ সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্য ঘাটতি, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও রোহিঙ্গা সংকটসহ প্রধান সব দ্বিপক্ষীয় ইস্যুগুলো তুলে ধরা হবে।
এছাড়া বৈঠকে দুদেশে প্রবহমান অভিন্ন নদীগুলোর পানি বণ্টনের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে বলে ড. মোমেন ইঙ্গিত দেন। ঢাকা দুদেশের মধ্যে বয়ে চলা প্রধান সাতটি নদী মনু, মুহুরি, গোমতি, ধরলা, দুধকুমার, ফেনী ও তিস্তার পানি বণ্টনের ইস্যুটিকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার প্রস্তাব দেবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নরেন্দ্র মোদির মার্চে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল। মহামারীর কারণে তার সফর বাতিল হয়।
আজকের বৈঠকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহাত্মা গান্ধীর ওপর একটি অনলাইন জাদুঘর প্রদর্শন করা হবে। আগামী বছর বাংলাদেশ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবে। ওই বছরই বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কেরও সুবর্ণজয়ন্তী। ফলে উদযাপনে দুদেশের যৌথ কর্মসূচিও থাকবে।
-জেডসি
